Weather : রবিবার পর্যন্ত উত্তরবঙ্গে ভারী বৃষ্টি, মঙ্গলবার পর্যন্ত দক্ষিণে গরমের দাপট !
কিউ ইন্ডিয়া বাংলা:- আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, রাজ্যে প্রাক বর্ষার বৃষ্টি শুরু হয়েছে। উত্তরবঙ্গে রবিবার, ২৪ মে পর্যন্ত ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করা হয়েছে। অন্যদিকে দক্ষিণবঙ্গে আগামী মঙ্গলবার, ২৬ মে পর্যন্ত গরম ও আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তি চরমে থাকবে।
আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, আগামী মঙ্গলবার, ২৬ মে পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গে গরম এবং অস্বস্তিকর আবহাওয়া থাকবে। বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, বীরভূম এবং পশ্চিম বর্ধমান জেলাতে তাপপ্রবাহের মতো পরিস্থিতি তৈরি হবে। কলকাতা সহ বাকি জেলাতেও আর্দ্রতাজনিত ঘাম ও হাঁসফাঁস অবস্থা বজায় থাকবে। আজ শুক্রবার, ২২ মে বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, নদীয়া ও পূর্ব বর্ধমান জেলায় কালবৈশাখীর সতর্কতা দিয়েছে আবহাওয়া দফতর। বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টির সঙ্গে ৫০ থেকে ৬০ কিলোমিটার গতিবেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। রবিবার, ২৪ মে পর্যন্ত ঝড় বৃষ্টির সম্ভাবনা বেশি। সোমবার, ২৫ মে থেকে দক্ষিণবঙ্গের বেশিরভাগ জেলাতেই বজ্রবিদ্যুৎসহ ঝড় বৃষ্টি হতে পারে। তবে ঝড় বৃষ্টি হলেও মঙ্গলবার, ২৬ মে পর্যন্ত স্বস্তির আশ্বাস দেয়নি আবহাওয়া দফতর।
কলকাতায় দিনের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের উপরে থাকবে। বিকেল বা সন্ধ্যার দিকে বিক্ষিপ্ত বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টি হলেও আর্দ্রতার কারণে অস্বস্তি কমবে না।
আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, উত্তরবঙ্গে রবিবার, ২৪ মে পর্যন্ত ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি চলবে। আজ শুক্রবার, ২২ মে থেকে রবিবার, ২৪ মে পর্যন্ত আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়ি এবং দার্জিলিংয়ের কিছু অংশে ভারী বৃষ্টির সতর্কতা রয়েছে। দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, জলপাইগুড়ি এবং উত্তর দিনাজপুর জেলায় বিক্ষিপ্তভাবে ভারী বৃষ্টি হবে।
সোমবার, ২৫ মে থেকে বৃষ্টি কিছুটা কমলেও দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি ও আলিপুরদুয়ারে বিক্ষিপ্ত ভারী বৃষ্টি চলবে। বুধবার, ২৭ মে পর্যন্ত বজ্রবিদ্যুৎসহ ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকছে। গত ২৪ ঘন্টায় দক্ষিণ দিনাজপুরে ১০০ মিলিমিটারের বেশি বৃষ্টিপাত হয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর।
আবহাওয়া দফতর সতর্ক করে জানিয়েছে, অতি বৃষ্টিতে উত্তরবঙ্গের নীচু এলাকায় জল জমার আশঙ্কা এবং পাহাড়ি এলাকায় ধ্বসের আশঙ্কা রয়েছে। বৃষ্টির সময় দৃশ্যমানতা কম থাকায় সড়ক পরিবহনে সাবধানতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। আপাতত উত্তর প্রদেশ থেকে মনিপুর পর্যন্ত বিস্তৃত পূর্ব-পশ্চিম অক্ষরেখা এবং ঘূর্ণাবর্তের প্রভাবে রাজ্যে এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।
