SIR-Dilip Ghosh-BJP : রাজ্য রাজনীতিতে উত্তাপ: ধর্ষণ, ভোটার তালিকা ও SIR ঘিরে তীব্র প্রশ্ন দিলীপ ঘোষের …..
কিউ ইন্ডিয়া বাংলা :- কোচবিহার থেকে দক্ষিণ ২৪ পরগনা একাধিক ইস্যুতে রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে উত্তেজনা ছড়াল। নাবালিকা ধর্ষণের ঘটনা, ভোটার তালিকায় তথাকথিত অসঙ্গতি এবং এসআইআর কেন্দ্র ঘিরে হিংসার অভিযোগ তুলে শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসকে তীব্র আক্রমণ করলেন বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ।
কোচবিহারের জামালদহে নাবালিকা ধর্ষণের ঘটনায় এলাকায় চরম উত্তেজনা ছড়ায়। ক্ষুব্ধ জনতা পথ অবরোধ করে এবং পুলিশের উপর পাথর নিক্ষেপের অভিযোগ ওঠে। এই প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ বলেন, উত্তরপ্রদেশ বা দিল্লিতে ধর্ষণের ঘটনা ঘটলে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সামাজিক মাধ্যমে সরব হন। তবে কোচবিহারের মতো ঘটনার ক্ষেত্রে তাঁর নীরবতা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।
ভোটার তালিকা সংক্রান্ত বিষয়েও গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন বিজেপি নেতা। তাঁর দাবি, ভাঙড় ২ নম্বর ব্লকে যে ‘তথ্যগত অসঙ্গতির তালিকা’ প্রকাশ করা হয়েছে, তা নির্বাচন কমিশনের নয়। জেলা নির্বাচনী আধিকারিক ইতিমধ্যেই ওই ঘটনার রিপোর্ট তলব করেছেন। তা সত্ত্বেও প্রশ্ন উঠছে তাহলে কে বা কারা ওই তালিকা টাঙিয়েছিল?
একই ধরনের ঘটনা উত্তর ২৪ পরগনার গাইঘাটার ফুলশরা পঞ্চায়েত এলাকাতেও ঘটেছে বলে অভিযোগ। সেখানে তালিকা টাঙানোর কয়েক মিনিটের মধ্যেই তা খুলে নেওয়া হয়। অভিযোগ, বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট বিডিও কিছুই জানেন না। বিজেপির তরফে এই তালিকাগুলিকে ‘ভুতুড়ে তালিকা’ বলে কটাক্ষ করা হয়েছে।
এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়েও শাসক দলের বিরুদ্ধে অপচেষ্টার অভিযোগ তুলেছেন দিলীপ ঘোষ। সম্প্রতি শুনানিকেন্দ্রে গন্ডগোল ও ভাঙচুরের ঘটনার পর দক্ষিণ দিনাজপুরের কুমারগঞ্জে একটি এসআইআর কেন্দ্রে মাইক্রো অবজারভারকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। বিজেপির দাবি, পরিকল্পিতভাবে এসআইআর প্রক্রিয়া বানচাল করতেই এই ধরনের ঘটনা ঘটানো হচ্ছে।
এছাড়াও ভোটার তালিকা সংক্রান্ত এক দলীয় নির্দেশের প্রসঙ্গ টেনে দিলীপ ঘোষ বলেন, তৃণমূল নেতৃত্ব দলীয় কর্মীদের নির্দেশ দিয়েছেন ১ কোটি ৬৮ লক্ষ ভোটারের তালিকার মধ্যে কোনওভাবেই যেন ১ কোটি ৩৬ লক্ষ নাম বাদ না যায়। বিজেপি নেতার প্রশ্ন, এই ১ কোটি ৩৬ লক্ষ সংখ্যাটিই কি শাসক দলের কাছে ‘যাদু সংখ্যা’? এই সংখ্যক ভোটারের নাম টিকিয়ে রাখতে পারলেই কি ফের ক্ষমতায় ফেরা সম্ভব বলে মনে করছে তৃণমূল?
এই সব অভিযোগ ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে বিতর্ক তুঙ্গে। যদিও এ বিষয়ে এখনও পর্যন্ত তৃণমূল কংগ্রেস বা নির্বাচন কমিশনের তরফে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
