Pathar Pratima : পাথরপ্রতিমায় পঞ্চায়েত অফিসে ফাইল পোড়ানোর চেষ্টা, প্রধান-স্বামীকে ঘিরে বিক্ষোভ !
কিউ ইন্ডিয়া বাংলা নিজস্ব প্রতিনিধি :- দক্ষিণ ২৪ পরগনার পাথরপ্রতিমা ব্লকের গোপালনগর গ্রাম পঞ্চায়েত অফিসে সরকারি নথি পুড়িয়ে ফেলার চেষ্টার অভিযোগ ঘিরে বুধবার তীব্র উত্তেজনা ছড়াল। স্থানীয়দের অভিযোগ, পঞ্চায়েত প্রধান ও তাঁর স্বামী গুরুত্বপূর্ণ ফাইল নষ্ট করার চেষ্টা করছিলেন। খবর পেয়ে ক্ষুব্ধ জনতা অফিস ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখায়। পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে যায় বিশাল পুলিশ বাহিনী।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কয়েকদিন বন্ধ থাকার পর বুধবার বিকেলে হঠাৎই খোলা হয় গোপালনগর পঞ্চায়েত অফিস। বিকেল তিনটে নাগাদ অফিস চত্বরে নলকূপে জল আনতে গিয়ে ধোঁয়া বের হতে দেখেন এলাকাবাসী। সন্দেহ হওয়ায় বহু মানুষ অফিসে জড়ো হন। অভিযোগ, সেই সময় পঞ্চায়েত অফিসের ভিতরে গুরুত্বপূর্ণ সরকারি ফাইল ও কাগজপত্র পুড়িয়ে ফেলার চেষ্টা করছিলেন প্রধান অনুরাধা দাস ও তাঁর স্বামী। সরকারি নথি নষ্টের চেষ্টা হচ্ছে বুঝতে পেরে ক্ষোভে ফেটে পড়েন গ্রামবাসীরা। মুহূর্তের মধ্যেই প্রধান ও তাঁর স্বামীকে ঘিরে শুরু হয় বিক্ষোভ। উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে গোটা এলাকায়।
উল্লেখ্য, গোপালনগর গ্রাম পঞ্চায়েতের বর্তমান প্রধান তৃণমূল কংগ্রেসের সদস্যা অনুরাধা দাস। স্থানীয়দের দাবি, বিগত কয়েক বছরে প্রধান-সহ একাধিক ব্যক্তির বিরুদ্ধে সরকারি অর্থ আত্মসাৎ ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। যদিও সেই অভিযোগের প্রশাসনিক তদন্ত কতদূর এগিয়েছে তা স্পষ্ট নয়।এলাকাবাসীর আরও অভিযোগ, রাজ্যের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পালাবদলের আবহে দুর্নীতির প্রমাণ লোপাট করতেই গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র গায়েব বা ধ্বংস করার চেষ্টা চলছিল।
খবর পেয়ে পাথরপ্রতিমা থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সরকারি নথি নষ্টের অভিযোগ খতিয়ে দেখে পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। তবে এই বিষয়ে পঞ্চায়েত প্রধান অনুরাধা দাস বা তাঁর স্বামীর কোনও প্রতিক্রিয়া এখনও পাওয়া যায়নি। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলেও শুরু হয়েছে তীব্র চাপানউতোর। এলাকায় চাপা উত্তেজনা রয়েছে।
