জল্পনা উসকে সুখেন্দুশেখরের পর তৃণমূলের সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা সুস্মিতা দেবের
কিউ ইন্ডিয়া বাংলা:- তৃণমূলের রাজ্যসভার পদ থেকে ইস্তফার হিড়িক।সুখেন্দুশেখর রায়ের পরে এবার সুস্মিতা দেব। সাংসদ পদ সহ তৃণমূলের সমস্ত পদ থেকেই পদত্যাগ করেছেন তিনি। এবার কী বিজেপিতে যাচ্ছেন সুস্মিতা দেব। জানা গেছে, ইতিমধ্যেই তিনি অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মার সঙ্গে দেখা করেছেন তিনি। ফলের সুস্মিতার বিজেপিতে যাওয়ার জায়গা ক্রমশ জোরালো হচ্ছে। বুধবার রাজ্যসভার চেয়ারম্যান তথা উপরাষ্ট্রপতি সিপির রাধাকৃষ্ণনের সঙ্গে দেখা করে ইস্তফাপত্র তুলে দেন সুস্মিতা। চেয়ারম্যানকে দেওয়া চিঠিতে সুস্মিতা তাঁর ইস্তফাপত্র দ্রুত গ্রহণ করার আর্জি জানিয়েছেন তিনি। গত সপ্তাহ পর্যন্ত রাজ্যসভায় তৃণমূলের মোট ১৩ জন সাংসদ ছিলেন। সুখেন্দু এবং সুস্মিতা ইস্তফা দেওয়ায় তা কমে দাঁড়াল ১১।
সুস্মিতা দেব একজন অসমের রাজনীতিবিদ। তিনি রাজ্যের প্রখ্যাত রাজনীতিবিদ, তথা প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সন্তোষমোহন দেবের কন্যা। সুস্মিতা অসমের শিলচরের কংগ্রেস সাংসদ ছিলেন। ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে পরাজিত হন। ২০২১ সালের অগাস্টে তিনি তৃণমূলে যোগ দিয়েছিলেন। তাঁর কাঁধে ছিল অসম-সহ উত্তর-পূর্ব ভারতের রাজ্যগুলিতে সংগঠন বিস্তারের দায়িত্ব। ২০২১ সালে মানস ভুঁইয়া রাজ্যের মন্ত্রী হওয়ার পর তাঁর ছেড়ে যাওয়া আসনে সুস্মিতাকে রাজ্যসভায় পাঠিয়েছিল তৃণমূল। সে বার তাঁর ভাঙা মেয়াদ শেষ হয় ২০২৩ সালের অগাস্টে। সুস্মিতার পর ওই আসনে সামিরুল ইসলামকে রাজ্যসভায় পাঠায় তৃণমূল। শান্তনু সেনের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর দ্বিতীয় দফায় ২০২৪ সালের এপ্রিলে ফের রাজ্যসভায় যান সুস্মিতা। তাঁর সাংসদ পদের মেয়াদ ছিল ২০৩০ সাল পর্যন্ত। কিন্তু মেয়াদ শেষ হওয়ার চার বছর আগেই রাজ্যসভার সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দিলেন সুস্তিতা দেব।
