Nina Mane : “ওঁকে মরতে দেব না” – চিৎকার ছোট্ট নিনার, ফ্লাই দুবাই কাণ্ডে বাঁচল পাইলটের প্রাণ
কিউ ইন্ডিয়া বাংলা, নিউজ ডেস্ক:- ফ্লাই দুবাই বিমানের ককপিটে রক্তাক্ত পাইলট, আর তাঁকে বাঁচাল ৬ বছরের ছোট্ট নিনা (Nina Mane)! দুবাই থেকে তেল আভিভগামী বিমানে সহ-পাইলটের হামলার ঘটনায় হাড়হিম করা তথ্য প্রকাশ্যে। টয়লেটে যাওয়ার পথে নিনার (Nina Mane)চোখে পড়ে সেই ভয়ংকর দৃশ্য, তার চিৎকারেই রক্ষা পায় বিমান। বুধবার সকালে ফ্লাই দুবাইয়ের FZ1073 বিমানটি দুবাই থেকে তেল আভিভের উদ্দেশে রওনা দিয়েছিল। ককপিটে ছিলেন ক্যাপ্টেন স্মিত মচ্ছর। অভিযোগ, মাঝ আকাশে তাঁর উপর আচমকা হামলা চালায় ওমানি সহ-পাইলট (Nina Mane)।
বিমানের প্রথম সারিতে মা জিভিকা মানের সঙ্গে বসেছিল ৬ বছরের নিনা(Nina Mane)। টয়লেটে যাওয়ার পথে সে দেখতে পায় ককপিটের দরজা খোলা, মেঝেতে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে আছেন ক্যাপ্টেন মচ্ছর। রক্তে ভেসে যাচ্ছে ককপিটের মেঝে। ভয় পেয়ে চিৎকার করে (Nina Mane)ওঠে নিনা – “বাবা, আমরা ওঁকে মরতে দেব না।” মেয়ের চিৎকার শুনে দৌড়ে আসেন জিভিকা। তিনিই প্রথম ক্রুদের খবর দেন(Nina Mane)। সঙ্গে সঙ্গে তৎপর হয় কেবিন ক্রু। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে বিমানটি জরুরি ভিত্তিতে সৌদি আরবের তাবুক বিমানবন্দরে নিরাপদে অবতরণ করানো হয়(Nina Mane)। বড়সড় দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পায় বিমানটি।
এই ঘটনায় মুখ খুলেছেন ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু।(Nina Mane) তিনি দাবি করেছেন, হামলাকারী সহ-পাইলট ‘ইসলামপন্থী ও উগ্রবাদী মতাদর্শে দীক্ষিত’ ছিল। যদিও মগজধোলাইয়ের নেপথ্যে কে, সে বিষয়ে তিনি বিস্তারিত কিছু জানাননি। সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর সঙ্গে তদন্তে (Nina Mane)পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে ইজরায়েল। ৬ বছরের নিনা যদি ঠিক সময়ে(Nina Mane) ককপিটের দৃশ্য না দেখত, তাহলে কী হত, তা ভেবেই শিউরে উঠছেন তদন্তকারীরা। আপাতত বিশ্বজুড়ে প্রশংসায় ভাসছে ছোট্ট ‘হিরো’ নিনা(Nina Mane)।
