Business-Adani : দেশেই বাণিজ্যিক বিমান তৈরি করবে আদানি, ব্রাজিলের এই সংস্থার সঙ্গে হল বিরাট চুক্তি …..
কিউ ইন্ডিয়া বাংলা:- কেন্দ্রের মোদি সরকারের মেক ইন ইন্ডিয়া কর্মসূচির অধীনে দেশের মাটিতেই বাণিজ্যিক বিমান তৈরি করবে আদানি গ্রুপ । সেই লক্ষ্যেই এবার ব্রাজিলের এক বড় সংস্থার সাথে গাঁটছড়া বাঁধল গৌতম আদানির সংস্থা। সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের রিপোর্ট অনুযায়ী, আদানি অ্যারোস্পেস অ্যান্ড ডিফেন্স ইতিমধ্যেই ব্রাজিলের বৃহৎ সংস্থা এমব্রেয়ারের সাথে একটি বিরাট চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। আগামী দিনে এই চুক্তির অধীনেই ভারতে বাণিজ্যিক বিমান তৈরি করবে আদানি গ্রুপ । যদিও বিমান তৈরির কারখানা কোথায় তৈরি হবে এ নিয়ে এখনও পর্যন্ত চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানায়নি দুই সংস্থা। পুরো বিষয়টা এখনো অবধি আলোচনার পর্যায়ে রয়েছে ।
বলে রাখা ভালো এয়ারবাস এবং বোয়িংয়ের পর বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম বিমান প্রস্তুতকারক সংস্থা ব্রাজিলের এমব্রেয়ার। তার সাথে গাঁটছড়া বেঁধে কেন্দ্রীয় বেসামরিক বিমান পরিবহন মন্ত্রী রামমোহন নাইডুর উপস্থিতিতে বেসামরিক বিমান পরিবহন মন্ত্রণালয়ে চুক্তি করেছে আদানি অ্যারোস্পেস অ্যান্ড ডিফেন্স। এই চুক্তির অধীনে আগামীতে ভারতে বিমান চলাচলের এক সুস্পষ্ট বাস্তুতন্ত্র তৈরি হবে বলেই আশা করছে দুই পক্ষই। বিষয়টি নিয়ে, আদানির প্রতিরক্ষা এবং মহাকাশ সংস্থার পরিচালক জিৎ আদানি জানিয়েছেন, “ব্রাজিলের সংস্থার সাথে চুক্তি হয়েছে। তবে বাণিজ্যিক বিমানগুলি কোথায় তৈরি হবে, এর কারখানা কোথায় স্থাপন করা হবে এ নিয়ে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। তবে আশা করা যাচ্ছে খুব শীঘ্রই আমাদের পরিকল্পনা জনসমক্ষে আনতে পারব।
এবার ব্রাজিলের বিমান সংস্থার পক্ষ থেকে বলা হয় যে “আমরা সমান অংশীদারিত্বের দিকে তাকিয়ে রয়েছি, আমরা আশাবাদী যে খুব শীঘ্রই আমরা যৌথভাবে বিমান প্রস্তুত কারখানা শুরু করতে পারবো। “
শুধু বিমান উৎপাদনে সীমাবদ্ধ না থেকে তার সরবরাহ শৃংখল, আফটারমার্কেট পরিষেবা, এমআরও এমনকি পাইলটদের প্রশিক্ষণ এর ব্যবস্থা তৈরি করতে চায় এই দুই সংস্থা । এ প্রসঙ্গে ব্রাজিলের বিমান প্রস্তুতকারক সংস্থাটির কমার্শিয়াল এভিয়েশনের প্রেসিডেন্ট ও সিইও জানিয়েছেন, “এমব্রেয়ারের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বাজার হতে চলেছে ভারত।” আগামী দিনে ভারতীয় বিমান ব্যবস্থায় নতুন মাত্রা জুড়তে উদগ্রীব দুই সংস্থা। ওয়াকিবহাল মহলের ধারণা আদানি অ্যারোস্পেস অ্যান্ড ডিফেন্স ও ব্রাজিলীয় সংস্থা এমব্রেয়ার এর যৌথ উদ্যোগে বিমান উৎপাদন শুরু হলে অসামরিক বিমান ব্যবস্থায় এক নতুন দিগন্ত খুলে যাবে ।
