রায়গঞ্জে জয়ের বিষয়ে আত্মবিশ্বাসী এশিয়াড সোনাজয়ী স্বপ্না বর্মন
কিউ ইন্ডিয়া বাংলা,রায়গঞ্জ: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের প্রথম দফায় অন্যতম আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু এখন রায়গঞ্জ বিধানসভা কেন্দ্র। বৃহস্পতিবার বেলা গড়াতেই বুথে সপরিবারে হাজির হলেন তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী তথা এশিয়াড সোনাজয়ী অ্যাথলিট স্বপ্না বর্মন। জীবনের প্রথম বড় ‘ভোটযুদ্ধে’ নেমে রায়গঞ্জবাসীর কাছে তাঁর সনির্বন্ধ আবেদন—তাঁকে যেন ‘ঘরের মেয়ে’ হিসেবে আশীর্বাদ করেন সাধারণ মানুষ।
ভোট দিয়ে কী বললেন স্বপ্না?
এদিন সকাল সকাল পরিবারের সদস্যদের নিয়ে বুথে পৌঁছে নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন স্বপ্না। প্রার্থী হিসেবে প্রথমবার ভোট দেওয়ার অভিজ্ঞতাকে ‘অত্যন্ত স্পেশাল’ বলে বর্ণনা করেছেন তিনি। ভোট দিয়ে বেরিয়ে স্বপ্না বলেন:
-
“ভোট দেওয়া আমার অধিকার ও কর্তব্য। পরিবারের সকলকে নিয়ে ভোট দিতে পেরে খুব ভালো লাগছে।”
-
“রায়গঞ্জবাসীর কাছে অনুরোধ, আপনারা শান্তিপূর্ণভাবে নিজেদের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করুন।”
-
“আমি আপনাদেরই ঘরের মেয়ে। আমাকে আশীর্বাদ করবেন এবং আশপাশের পরিস্থিতি দেখে বিবেচনা করে ভোট দেবেন।”
এদিন তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন তাঁর মা-ও। মেয়ের এই নতুন লড়াইয়ে রাজগঞ্জবাসী যেন পাশে থাকেন, সেই প্রার্থনা করেছেন তিনি।
বাধাবিপত্তি পেরিয়ে নির্বাচনী রণক্ষেত্রে
খেলার দুনিয়ায় ভারতের নাম উজ্জ্বল করলেও পিঠের চোটের কারণে অ্যাথলেটিক্স ক্যারিয়ারে ইতি টানতে হয়েছিল স্বপ্নাকে। উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলের চাকরি থেকে ইস্তফা দিয়ে তিনি তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দেন। যদিও তাঁর ইস্তফা নিয়ে বেশ কিছু আইনি ও প্রশাসনিক জটিলতা তৈরি হয়েছিল, তবে সব বাধা কাটিয়ে তিনি মনোনয়ন জমা দেন। স্বপ্নার হয়ে খোদ তৃণমূলের ‘সেকেন্ড-ইন-কমান্ড’ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় প্রচার করায় রাজনৈতিক মহলে তাঁর গুরুত্ব আরও বেড়েছে।
শান্তিপূর্ণ ভোট ও কমিশনের প্রশংসা
রাজ্যজুড়ে প্রথম দফার নির্বাচনে বেলা ১১টা পর্যন্ত প্রায় ৪১ শতাংশ ভোট পড়েছে। রায়গঞ্জ কেন্দ্রেও ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া এখন পর্যন্ত মোটের ওপর শান্তিপূর্ণ। এই সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখার জন্য নির্বাচন কমিশন এবং প্রশাসনকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন তৃণমূল প্রার্থী।
