Amit Shah : SIR বিতর্কে রাহুলকে তোপ শাহের, বললেন ২৯-এ ফের হারের জন্য তৈরি থাকুক কংগ্রেস
কিউ ইন্ডিয়া বাংলা, নয়াদিল্লি:- ভোটার তালিকার নিবিড় সংশোধন (SIR) এবং ‘ভোটচুরি’ ইস্যুতে উত্তাল জাতীয় রাজনীতি (Amit Shah)। দিল্লিতে প্রতিবাদে পথে কংগ্রেস-সহ বিরোধী শিবির। এই পরিস্থিতিতেই লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীকে সরাসরি নিশানা করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তাঁর স্পষ্ট বক্তব্য, কংগ্রেসের বিপর্যয়ের জন্য রাহুলই দায়ী এবং ২০২৯-এর লোকসভা নির্বাচনেও কংগ্রেসের শোচনীয় পরাজয় নিশ্চিত (Amit Shah)। মঙ্গলবার দিল্লিতে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে অমিত শাহ বলেন, SIR প্রক্রিয়াটি ২০২৪ সালের পর শুরু হয়েছে। কিন্তু রাহুল গান্ধী রাজনীতিতে সক্রিয় হওয়ার পর থেকেই কংগ্রেস একের পর এক নির্বাচনে হেরে আসছে। (Amit Shah) তাই SIR-কে হারের অজুহাত হিসাবে খাড়া করা অর্থহীন।
শাহের অভিযোগ, যাঁরা SIR-এর বিরোধিতা করছেন, (Amit Shah) তাঁরা আসলে অনুপ্রবেশকারীদের আড়াল করার চেষ্টা করছেন। রাহুলকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, “আমি রাহুলকে বলতে চাই, SIR-এর বিরোধিতায় অনুপ্রবেশকারীদের আড়ালের যে কৌশল তিনি নিয়েছেন, তা দেশের মানুষ বুঝে গিয়েছে (Amit Shah)। তাঁরা কোনও ফাঁদে পা দেবে না। ২০২৯ সালের নির্বাচনেও শোচনীয় পরাজয়ের জন্য আপনারা প্রস্তুত হোন।”
নিজের বক্তব্যের সপক্ষে গুজরাটের সাম্প্রতিক (Amit Shah) পুরভোটের ফলাফলকে উদাহরণ হিসাবে তুলে ধরেন শাহ। দিন দুই আগে গান্ধীনগর-সহ ৩টি পুরসভায় নির্বাচন হয়েছে। তিনটিতেই নিরঙ্কুশ জয় পেয়েছে বিজেপি। রাজধানী (Amit Shah)গান্ধীনগর পুরসভার ৪৪টি আসনের মধ্যে ৩৮টি আসনই গিয়েছে গেরুয়া শিবিরের দখলে। কংগ্রেস জিতেছে মাত্র ৫ আসনে, আম আদমি পার্টি (আপ) (Amit Shah) খাতাই খুলতে পারেনি।
শাহ বলেন, “গুজরাটের এই বড় জয় ভোটারদের মনোভাবেরই প্রতিফলন (Amit Shah)। এটি প্রমাণ করে যে গুজরাট এবং সমগ্র ভারতের ভোটাররা নরেন্দ্র মোদীর পাশে আছে। গত নির্বাচনের থেকে এবার গান্ধীনগর পুরসভায় বিজেপির ভোটের হার ১০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। গত ৪১ বছরে কংগ্রেস এখানে একটি নির্বাচনেও জয়লাভ (Amit Shah) করতে পারেনি।”
বিরোধীদের ‘ভোটচুরি’ অভিযোগ (Amit Shah) এবং SIR-বিরোধী আন্দোলনের মাঝে অমিত শাহের এই আক্রমণে রাজনৈতিক পারদ আরও চড়ল। গান্ধীনগরের জয়কে সামনে রেখে রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বকেই (Amit Shah) প্রশ্নের মুখে ফেলে ২০২৯-এর লোকসভা ভোটের আগে কংগ্রেসকে চাপে রাখার কৌশল নিল বিজেপি, এমনটাই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।
