মোদির একটি ফোনেই থামবে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ! চাঞ্চল্যকর দাবি আরব আমিরশাহির রাষ্ট্রদূতের
কিউ ইন্ডিয়া বাংলা, নয়াদিল্লি: একদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পরস্পরবিরোধী বয়ান, অন্যদিকে ইরান ও ইজরায়েলের লাগাতার মিসাইল বৃষ্টি—সব মিলিয়ে মধ্যপ্রাচ্যের রণক্ষেত্র এখন চরম অনিশ্চয়তার মুখে। এই পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়ে এক বিস্ফোরক ও তাৎপর্যপূর্ণ দাবি করলেন ভারতে নিযুক্ত সংযুক্ত আরব আমিরশাহির রাষ্ট্রদূত হুসেন হাসান মির্জা। তাঁর মতে, আমেরিকা বা ইরান নয়, এই রক্তক্ষয়ী সংঘাত থামাতে পারেন একমাত্র ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।
সম্প্রতি একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে মির্জা জানান, পশ্চিম এশিয়ার দেশগুলির নেতাদের ওপর নরেন্দ্র মোদির ব্যক্তিগত প্রভাব অপরিসীম। তিনি বলেন, ”ইরান ও ইজরায়েলের রাষ্ট্রপ্রধানদের কাছে মোদির একটি ফোন কলই সব সমস্যার সমাধান করে দিতে পারে। স্রেফ একটাই ফোন, আর তাতেই নামতে পারে সংঘাতের যবনিকা।” রাষ্ট্রদূতের এই আত্মবিশ্বাসের মূলে রয়েছে দুই যুযুধান পক্ষের সঙ্গেই ভারতের সুদৃঢ় কূটনৈতিক সম্পর্ক। যেখানে ট্রাম্পের অবস্থান নিয়ে ধোঁয়াশা রয়েছে, সেখানে মোদির মধ্যস্থতা কার্যকর হতে পারে বলে মনে করছে আমিরশাহি।
যুদ্ধের শুরুতে ইরান শুধুমাত্র মার্কিন ঘাঁটিগুলিকে লক্ষ্য করলেও, বর্তমানে তারা প্রতিবেশী কুয়েত, সৌদি আরব, আরব আমিরশাহি, বাহরিন ও ওমানের মতো দেশেও নির্বিচারে হামলা চালাচ্ছে। এই ‘বেপরোয়া’ মনোভাবের কারণে ক্ষুব্ধ প্রতিবেশী আরব দেশগুলো। সৌদি আরব ইতিমধ্যেই পাল্টা হামলার হুঁশিয়ারি দিয়েছে। হুসেন হাসান মির্জা স্পষ্ট জানান, আমিরশাহি এই যুদ্ধে জড়াতে চায় না। তিনি বলেন, “ওরা আমাদের মাটিতে একে অপরের সাথে লড়াই করছে, এটা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।”
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বয়ানে যুদ্ধের ভবিষ্যৎ নিয়ে ধোঁয়াশা কাটছে না। তিনি কখনও বলছেন যুদ্ধ শেষ, আবার কখনও বলছেন সংঘাত চলছে। এদিকে ইরান হুঙ্কার দিয়ে জানিয়েছে, আমেরিকার কথায় নয়, যুদ্ধ শেষ হবে তাদের শর্তে। এই জটিল গোলকধাঁধায় এখন বিশ্ববাসীর নজর ভারতের ‘শান্তি দূতের’ ভূমিকার দিকে।
