অরিজিতের অবসর-ঘোষণার মাঝেই জিয়াগঞ্জে আমির
সূত্রের খবর, রবিবার রাতে কলকাতায় পৌঁছোন বলিউডের ‘পারফেকশনিস্ট’ আমির খান। অত্যন্ত গোপনীয়তার মধ্যেই রাখা হয় এই সফর। পরদিন, অর্থাৎ সোমবার, কলকাতা থেকে সরাসরি জিয়াগঞ্জে অরিজিৎ সিংয়ের বাড়িতে যান আমির খান। তবে কী কারণে এই সাক্ষাৎ, তা নিয়ে এখনও মুখ খোলেনি কেউই।
আমির খান ও অরিজিৎ সিং দু’জনেই নিজেদের কাজে অত্যন্ত বেছে চলেন এবং লাইমলাইট থেকে দূরে থাকতে পছন্দ করেন। তবুও তাঁদের পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সখ্য বারবার নজর কেড়েছে অনুরাগীদের। ‘দঙ্গল’ ছবির সময় থেকেই এই সম্পর্ক আরও দৃঢ় হয়। আমিরের ছবিতে অরিজিতের গলায় ‘গিলহরিয়াঁ’ বা ‘তেরে হাওয়ালে’-র মতো গান শ্রোতাদের মনে স্থায়ী জায়গা করে নেয়। জানা যায়, আমির খান ব্যক্তিগতভাবেও অরিজিতের গানের বড় ভক্ত এবং নিজের ছবির গানের রেকর্ডিংয়েও অরিজিতের উপস্থিতিতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন।
কাজের বাইরেও দু’জনের সম্পর্ক যে যথেষ্ট গভীর, তার প্রমাণ মিলেছিল কয়েক বছর আগে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার জন্য আয়োজিত ভার্চুয়াল দাবা প্রতিযোগিতায়। সেখানে একসঙ্গে অংশ নিতে দেখা গিয়েছিল তাঁদের। সমাজসেবা, সৃজনশীল চিন্তাভাবনা এবং খেলাধুলার প্রতি আগ্রহ সব মিলিয়েই তাঁদের মধ্যে নিয়মিত যোগাযোগ রয়েছে বলে জানা যায়।
এর মধ্যেই শোনা যাচ্ছিল, আমির খানের আগামী প্রজেক্টে অরিজিৎ সিংয়ের জন্য একটি বিশেষ গান রাখা হচ্ছে। যদিও এখনও পর্যন্ত কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা হয়নি। তার আগেই অরিজিতের প্লেব্যাক থেকে অবসর নেওয়ার ঘোষণা নতুন করে প্রশ্ন তুলে দিয়েছে। সূত্রের ইঙ্গিত, এই সিদ্ধান্ত ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়েই হয়তো জিয়াগঞ্জে এই গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষাৎ। তবে সত্যিই কী কথা হয়েছে দু’জনের মধ্যে, সে উত্তর আপাতত সময়ের অপেক্ষায়।
কিউ ইন্ডিয়া বাংলা :- প্লেব্যাক থেকে অবসর নেওয়ার ঘোষণা দিয়েই সঙ্গীতজগতে তোলপাড় ফেলে দেন অরিজিৎ সিং। গত সপ্তাহে সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজের সিদ্ধান্তের কারণ আংশিকভাবে জানালেও অনুরাগীদের মন তাতে ভরেনি। বরং সেই ঘোষণার পর থেকেই শুরু হয়েছে নানা জল্পনা। বলিউডের লবি রাজনীতি থেকে শুরু করে রাজনীতিতে যোগ দেওয়ার সম্ভাবনা, সব দিকেই ঘুরছে আলোচনা। যদিও এসব নিয়ে অরিজিৎ নিজে এখনও প্রকাশ্যে কোনও মন্তব্য করেননি।
এই আবহেই নতুন করে উত্তেজনা ছড়াল মুর্শিদাবাদের জিয়াগঞ্জে।
সূত্রের খবর, রবিবার রাতে কলকাতায় পৌঁছোন বলিউডের ‘পারফেকশনিস্ট’ আমির খান। অত্যন্ত গোপনীয়তার মধ্যেই রাখা হয় এই সফর। পরদিন, অর্থাৎ সোমবার, কলকাতা থেকে সরাসরি জিয়াগঞ্জে অরিজিৎ সিংয়ের বাড়িতে যান আমির খান। তবে কী কারণে এই সাক্ষাৎ, তা নিয়ে এখনও মুখ খোলেনি কেউই।
আমির খান ও অরিজিৎ সিং দু’জনেই নিজেদের কাজে অত্যন্ত বেছে চলেন এবং লাইমলাইট থেকে দূরে থাকতে পছন্দ করেন। তবুও তাঁদের পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সখ্য বারবার নজর কেড়েছে অনুরাগীদের। ‘দঙ্গল’ ছবির সময় থেকেই এই সম্পর্ক আরও দৃঢ় হয়। আমিরের ছবিতে অরিজিতের গলায় ‘গিলহরিয়াঁ’ বা ‘তেরে হাওয়ালে’-র মতো গান শ্রোতাদের মনে স্থায়ী জায়গা করে নেয়। জানা যায়, আমির খান ব্যক্তিগতভাবেও অরিজিতের গানের বড় ভক্ত এবং নিজের ছবির গানের রেকর্ডিংয়েও অরিজিতের উপস্থিতিতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন।
কাজের বাইরেও দু’জনের সম্পর্ক যে যথেষ্ট গভীর, তার প্রমাণ মিলেছিল কয়েক বছর আগে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার জন্য আয়োজিত ভার্চুয়াল দাবা প্রতিযোগিতায়। সেখানে একসঙ্গে অংশ নিতে দেখা গিয়েছিল তাঁদের। সমাজসেবা, সৃজনশীল চিন্তাভাবনা এবং খেলাধুলার প্রতি আগ্রহ সব মিলিয়েই তাঁদের মধ্যে নিয়মিত যোগাযোগ রয়েছে বলে জানা যায়।
এর মধ্যেই শোনা যাচ্ছিল, আমির খানের আগামী প্রজেক্টে অরিজিৎ সিংয়ের জন্য একটি বিশেষ গান রাখা হচ্ছে। যদিও এখনও পর্যন্ত কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা হয়নি। তার আগেই অরিজিতের প্লেব্যাক থেকে অবসর নেওয়ার ঘোষণা নতুন করে প্রশ্ন তুলে দিয়েছে। সূত্রের ইঙ্গিত, এই সিদ্ধান্ত ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়েই হয়তো জিয়াগঞ্জে এই গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষাৎ। তবে সত্যিই কী কথা হয়েছে দু’জনের মধ্যে, সে উত্তর আপাতত সময়ের অপেক্ষায়।
