Encounter : ঝাড়খণ্ডে এনকাউন্টার, বাঁকুড়ার যুবককে চিনতেই পারছে না পরিবার !
কিউ ইন্ডিয়া বাংলা :- দেশকে ২০২৬ সালের মার্চের মধ্যে মাওবাদী-মুক্ত করার লক্ষ্য নিয়েছে কেন্দ্র। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ মাওবাদীদের আত্মসমর্পণ করে স্বাভাবিক জীবনে ফেরার বার্তা দিয়েছেন। যারা সেই পথে আসছে না, তাদের বিরুদ্ধে অভিযান চালাচ্ছে নিরাপত্তা বাহিনী।
সেই অভিযানে বৃহস্পতিবার ঝাড়খণ্ডের সারান্ডা জঙ্গলে নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে গুলির লড়াইয়ে নিহত হন ১৫ জন মাওবাদী। তাঁদের মধ্যে একজন পশ্চিমবঙ্গের বাঁকুড়া জেলার বাসিন্দা।
নিহত ওই যুবকের নাম সুরেন্দ্রনাথ সোরেন, ওরফে সমীর। তাঁর বাড়ি বাঁকুড়ার বারিকুল থানার ইঁদকুড়ি গ্রামে। তিনি সিপিআই (মাওবাদী)-র সারান্ডা জোনাল কমিটির সদস্য ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। সুরেন্দ্রনাথের জন্ম ইঁদকুড়ি গ্রামেই। ছোট বয়সেই তাঁর বাবা মারা যান। মা ও ভাইয়ের সঙ্গে বড় হন তিনি। শুশুনিয়া হাইস্কুলে পড়তেন। নবম শ্রেণিতে ফেল করার পর পড়াশোনা ছেড়ে দেন। এরপরই বাড়ি থেকে চলে যান। পরিবারের লোকজন জানান, ২০০৯ সালের দিকে একবার অল্প সময়ের জন্য তিনি বাড়িতে ফিরেছিলেন। তারপর আবার চলে যান। এরপর থেকে তাঁর সঙ্গে পরিবারের আর কোনও যোগাযোগ ছিল না।
পরিবারের দাবি, সুরেন্দ্রনাথ কোথায় থাকতেন বা কী করতেন, তারা কিছুই জানত না। ঝাড়খণ্ডে তাঁর মৃত্যুর খবরও তারা আগে জানত না।
সুরেন্দ্রনাথের ভাই হলধর সোরেন বলেন, “আমার দাদা অনেক বছর আগে বাড়ি ছেড়ে চলে গিয়েছেন। তিনি কী করেন, আমরা জানি না। আমাদের সঙ্গে তাঁর কোনও যোগাযোগও নেই।” নিহত মাওবাদী তাঁর দাদা কিনা, সেটাও তিনি নিশ্চিত নন বলে জানান।
