Indranil Sen : মেয়ে বলল ‘বাবাই সব জানে’, স্ত্রীও একই কথা! পূজো পাস দুর্নীতিতে আরও চাপে ইন্দ্রনীল সেন/
কিউ ইন্ডিয়া বাংলা, কলকাতা:- শুক্রবার ইন্দ্রনীল সেনকে (Indranil Sen) নিয়ে কসবা ও চন্দননগরের বাড়িতে তল্লাশি চালায় লালবাজারের সিট। পুজোর পাস দুর্নীতি মামলায় গ্রেপ্তার ইন্দ্রনীল সেনের কসবার বাড়ি ও চন্দননগরের বাংলোর উপর নজর লালবাজারের (Indranil Sen)। এবার প্রাক্তন মন্ত্রী তথা গায়ককে সঙ্গে নিয়েই তাঁর কসবার বাড়িতে তল্লাশি চালান লালবাজারের সিট। একইসঙ্গে ইন্দ্রনীলকে চন্দননগরে তাঁর বাংলোয় নিয়ে যান লালবাজারের গোয়েন্দারা। সেখানেও চলে পুলিশের তল্লাশি (Indranil Sen)। এদিকে, ইন্দ্রনীলের মেয়ে আভেরি সেন পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদের মুখে পড়ে সাফ জানিয়েছেন, জেরার মুখে তাঁর বাবার দিকেই আঙুল তুলেছেন। তদন্তকারীদের তিনি জানিয়েছেন, বাবা সবই জানেন (Indranil Sen)। তিনি কিছু জানেন না।
লালবাজার সূত্রে জানা গিয়েছে, ইউনেস্কোর নাম ভাঁড়িয়ে পুজোর প্রিভিউ পাস বিক্রির দুর্নীতির (Indranil Sen) মামলায় টাকা পাচার সংক্রান্ত বিভিন্ন নথি ইন্দ্রনীল সেনের বাড়িতে রয়েছে বলে খবর আসে। সেই সূত্র ধরেই শুক্রবার কসবার বহুতলে ইন্দ্রনীলকে নিয়ে যাওয়া হয়। তাঁকে নিয়েই কোথায় কোন নথি রয়েছে, তার সন্ধানে চালানো হয় তল্লাশি (Indranil Sen)। একই সঙ্গে চন্দননগরের বাংলোয় পুলিশ ইন্দ্রনীলকে নিয়ে যায়। সেখানে সিটের আধিকারিকরা বেশ কিছু নথির সন্ধান চালান। লালবাজারের এক কর্তা জানান, এখনও পর্যন্ত পুজোর প্রিভিউ পাসের মামলায় ১৫০ কোটি টাকারও বেশি দুর্নীতির প্রমাণ মিলেছে (Indranil Sen)। এই ব্যাপারে ইন্দ্রনীলের ঘনিষ্ঠ তিনটি সংস্থার কিছু নথি ইন্দ্রনীলের বাড়িতে রয়েছে বলে তাঁকে জেরা করে গোয়েন্দারা জানতে পারেন। সেই কারণেই কসবা ও চন্দননগরে (Indranil Sen) চলে লালবাজারের ‘সিট’-এর তল্লাশি। সূত্রের খবর, বেশ কিছু নথি দু’টি জায়গা থেকেই উদ্ধার হয়েছে।
বৃহস্পতিবারই ইন্দ্রনীল সেনের মেয়ে আভেরি সেনকে লালবাজারের গোয়েন্দারা (Indranil Sen) তলব করেন। কীভাবে আভেরির দু’টি সংস্থায় ইন্দ্রনীলের একটি ঘনিষ্ঠ সংস্থা থেকে প্রায় সাড়ে ২২ লাখ টাকার লেনদেন হয়, তা নিয়ে তাঁকে প্রশ্ন করা হয় (Indranil Sen)। পুজো পাস ও পর্যটন বিভাগের টেন্ডার নিয়ে দুর্নীতির ব্যাপারে প্রাক্তন মন্ত্রীর মেয়েকে বেশ কিছু প্রশ্নও করেন গোয়েন্দারা। তাঁর দু’টি সংস্থারও নথিপত্র গোয়েন্দা পুলিশ খতিয়ে দেখে (Indranil Sen)। জেরার মুখে আভেরি পুলিশকে জানিয়েছেন, বাবা ইন্দ্রনীল সেন সব কিছুই জানেন। তিনি কিছুই জানেন না। তাঁকে যা করতে বলা হয়েছিল, (Indranil Sen) তিনি সেটাই করেছেন।
উল্লেখ্য, কিছুদিন আগেই ইন্দ্রনীলের স্ত্রী মধুছন্দাও লালবাজারে (Indranil Sen) জেরার মুখে গোয়েন্দাদের জানান, তাঁর স্বামীই সব জানতেন। তিনি কিছুই জানেন না। এদিকে, ইন্দ্রনীল সেন দাবি করেছেন, ‘মাস আর্টে’র সেক্রেটারি ধ্রুবজ্যোতি (Indranil Sen) বসু তথা শুভ পুরো লেনদেনের বিষয়টি দেখতেন। তাঁর মাধ্যমেই যাবতীয় লেনদেন হত। তিনিই ‘কিংপিন’। যদিও ইন্দ্রনীলের দাবি পুলিশ খতিয়ে দেখছে (Indranil Sen)। ইতিমধ্যেই শুভ পুলিশের হেফাজতে। তাঁকে জেরা করা হচ্ছে। দুর্নীতির মামলায় ইন্দ্রনীলদের এমপিও ও দুর্নীতিদমন আইনের ধারা লাগু করার জন্য প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
