Suvendu Adhikari : এবার বাংলায় শিল্প-বিপ্লব! তৃণমূলের জমিজট ভেঙে নতুন শিল্পনীতি আনলেন শুভেন্দু
কিউ ইন্ডিয়া বাংলা, কলকাতা:- প্রায় পাঁচ দশক পর কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের (Suvendu Adhikari) সমন্বয়ে ইতিবাচক কাজ হতে চলেছে। রাজ্যে ‘ডবল ইঞ্জিনে’ এবার কার্যত রকেট গতি! শিল্প-খরা কাটাতে তৃণমূল আমলের ভুলভ্রান্তি শুধরে রাজ্যের নতুন শিল্প নীতি ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। বৃহস্পতিবার ইকো পার্ক থেকে ‘পশ্চিমবঙ্গ বিনিয়োগ প্রসার নীতি ২০২৬’ সম্বলিত একটি বই উদ্বোধন করেন মুখ্যমন্ত্রী। সঙ্গে ছিলেন রাজ্যের শিল্পমন্ত্রী তাপস রায়, অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত, শ্রমমন্ত্রী অর্জুন সিং-সহ অনেকে (Suvendu Adhikari)। নয়া নীতিতে বিশেষ করে উল্লেখযোগ্য নতুন জমি নীতি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আমলে এই জমিজটেই আটকে গিয়েছিল বহু শিল্পস্থাপন। তা এবার কাটতে চলেছে। জমি অধিগ্রহণের বিষয়ে নতুন করে ভাবনাচিন্তা করেছে শুভেন্দু সরকার (Suvendu Adhikari)।
মূলত লগ্নি ও ইনসেনটিভ নির্ভর জমিনীতি তৈরি করেছে সরকার (Suvendu Adhikari)। দক্ষ শ্রমিকদের কাজে লাগানো, বিনিয়োগে বাড়তি ইনসেনটিভ-সহ একাধিক বিষয়ে নিয়মনীতি শিথিল হয়েছে। প্রায় পাঁচ দশক পর কেন্দ্র ও রাজ্য হাতে হাত ধরে শিল্পক্ষেত্রে ইতিবাচক কাজ হতে চলেছে। নতুন শিল্পনীতিতে খুশি রাজ্যের শিল্পপতিরা (Suvendu Adhikari)। জমি ফেলে রাখলেই কড়া ব্যবস্থা, অধিগ্রহণের বাধা কাটাতে সরকার মূল বড় সহায়, লগ্নি ও কর্মসংস্থানে ইনসেনটিভ। এসবের সমন্বয়েই বৃহস্পতিবার নয়া শিল্পনীতি ঘোষণা করা হল রাজ্য সরকারের তরফে, যার মূল ভিত্তি ইনসেনটিভ। এদিকেই তাকিয়ে ছিলেন বৃহৎ শিল্পগোষ্ঠী থেকে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পমহল (Suvendu Adhikari)। রাজ্যে লগ্নির ক্ষেত্রে দরজা খোলার ভিত এই নীতি।
বছর দুয়েক আগে আইন এনে শিল্পে যে ইনসেনটিভ পলিসি তৃণমূল সরকার (Suvendu Adhikari) বাতিল করেছিল তা ফিরিয়ে আনা হল। আগেই মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ঘোষণা করেছিলেন, ১০০ কোটি পর্যন্ত লগ্নিতে লালফিতের ফাঁসে আটকে থাকতে হবে না। সেই ঘোষণামতো তাতে ছাড় দেওয়া হল নতুন শিল্পনীতিতে (Suvendu Adhikari)। এছাড়া বিদ্যুৎ শুল্ক ও স্টাম্প ডিউটিতে বিশেষ ছাড় দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প, বৃহৎ শিল্প, অলাভজনক সংস্থা, (Suvendu Adhikari) পরিষেবা ক্ষেত্র – সবই এই নীতির আওতায় পড়বে।
এদিন শিল্পনীতির পরই জমিনীতি ঘোষণার পথে হাঁটতে চলেছে রাজ্য সরকার (Suvendu Adhikari)। অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্তকে মাথায় রেখে গড়া হয়েছে মন্ত্রীগোষ্ঠী এবং প্রাথমিক খসড়াও প্রস্তুত। সিঙ্গুর বা নন্দীগ্রামের মতো বলপ্রয়োগ করে জমি অধিগ্রহণের বদলে বাজারমূল্যে জমির মালিকদের কাছ থেকে সরাসরি জমি কেনার পক্ষে বর্তমান বিজেপি সরকার, (Suvendu Adhikari) যা আগেই জানিয়ে দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এ নিয়ে রাজ্যের পঞ্চায়েত মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ বলেন, ‘‘সিঙ্গুর, নন্দীগ্রামে বাম সরকার জোর করে জমি নিয়েছিল কৃষকদের থেকে। সেখানে কোনও কাজ হয়নি। শিল্পও হয়নি, পরে কৃষিকাজও হয়নি (Suvendu Adhikari)। এই সরকার সেই ভুল করেনি।”
সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য, রাজ্য সরকারের নতুন জমিনীতি মেনে ঠিক কোন (Suvendu Adhikari) পদ্ধতিতে কাজ হবে, তার সুনির্দিষ্ট রূপরেখা প্রকাশিত হয়েছে এদিন। জানা গিয়েছে, অনলাইনে শিল্পপ্রস্তাবের ক্ষেত্রে ১০৫ দিন বা সাড়ে তিন মাসে গোটা প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করা হবে। তারপরই রাজ্যে শিল্প তৈরির কাজ শুরু করতে পারবেন বিনিয়োগকারীরা (Suvendu Adhikari)। জোর দেওয়া হবে রুগ্ন শিল্প পুনরুজ্জীবনেও। নতুন শিল্পনীতিতে ইনসেনটিভ, জমিনীতি আর দ্রুত ছাড়পত্রই মূল হাতিয়ার। তৃণমূল আমলের জমিজট আর লালফিতের জট কাটাতে চাইছে শুভেন্দু সরকার। বাজারমূল্যে সরাসরি জমি কেনা আর ১০৫ দিনে অনুমোদনের (Suvendu Adhikari) প্রতিশ্রুতি বড় বার্তা। এবার দেখার, ঘোষণা কতটা দ্রুত মাটিতে লগ্নি আর কর্মসংস্থান হয়ে ফিরে আসে।
