Gaighata : গাইঘাটায় নাবালিকার সঙ্গে নৃশংস ঘটনা, এনকাউন্টারে খতম মূল অভিযুক্ত প্রহ্লাদ
কিউ ইন্ডিয়া বাংলা, নিজস্ব প্রতিনিধি:- উত্তর ২৪ পরগনার গাইঘাটায় নাবালিকা ধর্ষণ ও খুনের (Gaighata) ঘটনায় চাঞ্চল্যকর মোড়। পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে মৃত্যু হল মূল অভিযুক্ত প্রহ্লাদ দাসের। পুলিশের দাবি, ক্রাইম সিন রিক্রিয়েশন করে ফেরার পথে পুলিশের সার্ভিস রিভলবার ছিনিয়ে গুলি চালায় অভিযুক্ত। (Gaighata) আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলি চালায় পুলিশ। ঘটনায় এক পুলিশ আধিকারিক আহত।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, (Gaighata) লক্ষ্মীপুজোর আগের রাতে মায়ের সঙ্গে পাড়ার একটি অনুষ্ঠান দেখতে গিয়েছিল ১১ বছরের ওই নাবালিকা। অনুষ্ঠান থেকে বাড়ি ফেরার পথেই হঠাৎ নিখোঁজ হয়ে যায় সে। সারারাত খোঁজাখুঁজির পরও তার কোনও হদিশ মেলেনি (Gaighata)। পরিবারের পক্ষ থেকে গাইঘাটা থানায় নিখোঁজ ডায়েরিও করা হয়।
পরদিন সকালে বাড়ি থেকে ঢিল ছোড়া দূরত্বে (Gaighata) একটি পরিত্যক্ত বাড়ির পিছন থেকে উদ্ধার হয় নাবালিকার ক্ষতবিক্ষত, বিবস্ত্র দেহ। দেহে একাধিক আঘাতের চিহ্ন ছিল বলে অভিযোগ। পরিবারের দাবি, তাঁদের মেয়েকে ধর্ষণ করে নৃশংসভাবে খুন করা হয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে গোটা গাইঘাটা (Gaighata) জুড়ে তীব্র ক্ষোভ ও চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখান স্থানীয়রা। ঘটনার তদন্তে নেমে গাইঘাটা থানার পুলিশ তৎপরতার সঙ্গে অভিযান চালিয়ে মূল অভিযুক্ত প্রহ্লাদ দাসকে গ্রেফতার করে (Gaighata)। পুলিশ সূত্রে খবর, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে নিজের অপরাধের কথা স্বীকার করে নেয় প্রহ্লাদ। তার বয়ানের ভিত্তিতেই ঘটনার পুনর্নির্মাণের পরিকল্পনা (Gaighata) করে পুলিশ।
পুলিশ জানিয়েছে, গতকাল গভীর রাতে কড়া নিরাপত্তার (Gaighata) মধ্যে অভিযুক্তকে নিয়ে ঘটনাস্থলে যায় পুলিশের একটি দল। ক্রাইম সিন রিক্রিয়েশন শেষে থানায় ফেরার পথে আচমকাই এক পুলিশকর্মীর হাত থেকে আগ্নেয়াস্ত্র (Gaighata) ছিনিয়ে নিয়ে পুলিশকে লক্ষ্য করে পরপর গুলি চালায় প্রহ্লাদ। অভিযুক্তের ছোড়া গুলি পুলিশের গাড়িতে লাগে এবং এক তদন্তকারী আধিকারিক জখম হন (Gaighata)।
পরিস্থিতি বেগতিক দেখে আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলি চালাতে বাধ্য হয় পুলিশ (Gaighata)। পুলিশের গুলিতেই লুটিয়ে পড়ে অভিযুক্ত প্রহ্লাদ দাস। পরে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। অভিযুক্তের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়তেই এলাকায় (Gaighata) স্বস্তি ফিরেছে। এই ঘটনায় পুলিশের ভূমিকার প্রশংসা করেছেন শিমুলপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান। তিনি পুলিশকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, (Gaighata) পুলিশ দ্রুত বিচার দিয়েছে। তবে এই এনকাউন্টার নিয়ে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে চর্চা শুরু হয়েছে।
