LOVE MARRIAGE : সোশাল মিডিয়ায় প্রেম, তারপর মা দুর্গাকে সাক্ষী রেখে বিয়ে – পুজো মণ্ডপেই নজিরবিহীন ঘটনা
কিউ ইন্ডিয়া বাংলা, অশোকনগর:- পুজো মানেই প্রেম, আর প্রেম মানেই প্যান্ডেল হপিং (LOVE MARRIAGE)। প্রেমিকের হাত ধরে ঠাকুর দেখতে খড়দহ থেকে অশোকনগর এসেছিলেন তরুণী। কিন্তু কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বদলে গেল গোটা জীবন। বাড়িতে জানাজানি আর বকুনির ভয়ে দুর্গা মণ্ডপেই বিয়ে সারলেন যুগল। (LOVE MARRIAGE) সাক্ষী থাকলেন পাড়া-প্রতিবেশী ও দর্শনার্থীরা।
জানা গিয়েছে, খড়দহের বাসিন্দা সৌমি (LOVE MARRIAGE) দফাদারের সঙ্গে সোশাল মিডিয়ায় পরিচয় হয় অশোকনগরের ১০ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা তনু অধিকারীর। টুকটাক কথা থেকে বন্ধুত্ব, তারপর প্রেম। পরিবার জানতে পারলেও সৌমির পরিবারের প্রবল আপত্তি ছিল এই সম্পর্কে। (LOVE MARRIAGE) তবুও প্রেম থেমে থাকেনি। অষ্টমীতে প্রেমিকের সঙ্গে দেখা করতে সোজা অশোকনগর চলে আসেন সৌমি। এদিকে খবর পৌঁছে যায় তাঁর বাড়িতে। ফোনে বকাবকি করা হয় বলে অভিযোগ। তরুণীর ভয়, বাড়ি ফিরলে মারধর করা হবে, কেড়ে নেওয়া হবে মোবাইল। তাই বাড়ি না ফেরার (LOVE MARRIAGE) সিদ্ধান্ত নেন তিনি।
পরিস্থিতি জটিল বুঝে এগিয়ে আসেন (LOVE MARRIAGE) স্থানীয় নেতাজী সংঘ ক্লাবের সদস্যরা। মায়ের সামনেই যুগলের বিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন তাঁরা। মুহূর্তের মধ্যে জোগাড় করা হয় মালা, টোপর, শাড়ি, শাঁখা-পলা। দুর্গা মণ্ডপেই মা দুর্গাকে সাক্ষী রেখে চার হাত এক হয় সৌমি ও তনুর। মণ্ডপে ঠাকুর দেখতে এসে এমন দৃশ্য দেখে হতবাক দর্শনার্থীরা (LOVE MARRIAGE)। অনেকেই মোবাইলে ছবি তোলেন সেই মুহূর্তের। জানা গিয়েছে, দশমীর দিনই ঘরোয়াভাবে তাঁদের বউভাতের আয়োজন করা হয়েছে। সোশাল মিডিয়ায় শুরু হওয়া প্রেম যে এভাবে দুর্গা মণ্ডপে পরিণতি পাবে, (LOVE MARRIAGE) তা ভাবেননি কেউই। যদিও এ বিষয়ে সৌমির পরিবারের কোনও প্রতিক্রিয়া এখনও মেলেনি।
