Fake Doctor : গোঁফ-দাড়ি কেটেও শেষ রক্ষা হল না, দুবাই পালানোর ছক ভেস্তে দিল্লি বিমানবন্দর থেকে ধৃত ভুয়ো ডাক্তার সায়দুল
কিউ ইন্ডিয়া বাংলা, নয়াদিল্লি:- প্রায় এক মাস ফেরার থাকার পর অবশেষে জালে (Fake Doctor) বর্ধমানের ভুয়ো চিকিৎসক শেখ সায়দুল হক। পুলিশের চোখে ধুলো দিতে গোঁফ-দাড়ি কামিয়ে ফেলেছিলেন, চেহারা বদলে স্ত্রী অলিভিয়াকে নিয়ে দুবাইয়ে পালানোর ছক কষেছিলেন। কিন্তু সেই ছক ভেস্তে গেল(Fake Doctor) । মঙ্গলবার দিল্লির ইন্দিরা গান্ধী বিমানবন্দর থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করল পুলিশ। বুধবার তাঁকে (Fake Doctor) বর্ধমান আদালতে তোলা হবে।
গত ২ সেপ্টেম্বর বর্ধমানের একটি নার্সিংহোমে ফাইমোসিস অস্ত্রোপচারের (Fake Doctor) পর মৃত্যু হয় ৪ বছরের অরণ্য রায়ের। অপারেশনের দায়িত্বে ছিলেন সায়দুল। তদন্তে উঠে আসে সায়দুল ভুয়ো চিকিৎসক, বিহার থেকে ভুয়ো শংসাপত্র জোগাড় করে প্রভাব খাটিয়ে রেজিস্ট্রেশন নিয়েছিলেন। ১৫ সেপ্টেম্বর (Fake Doctor) ওয়েস্ট বেঙ্গল মেডিক্যাল কাউন্সিল তাঁর-সহ ৫ জনের রেজিস্ট্রেশন বাতিল করে।
এরপরই রাতারাতি উধাও হয়ে যান সায়দুল(Fake Doctor) । ২৩ সেপ্টেম্বর লুক আউট নোটিস জারি হয়। পুলিশ সূত্রে খবর, প্রথমে বাংলাদেশে পালানোর পরিকল্পনা থাকলেও ভিসা জটিলতায় নবাবহাটের এক নার্সিংহোম মালিকের সাহায্যে দুবাই চলে যান। ভিসা অন অ্যারাইভালে (Fake Doctor) ২৮ দিন দুবাইয়ে ছিলেন। হোয়াটসঅ্যাপে স্ত্রীর সঙ্গে যোগাযোগ রাখতেন, ঘন ঘন সিম বদলাতেন। সেই সিম নেওয়া হত নার্সিংহোম (Fake Doctor) কর্মীদের আধার কার্ড দিয়ে।
এদিকে জেলা স্বাস্থ্য দফতর সায়দুল যুক্ত নার্সিংহোম বন্ধ করে দেয়,(Fake Doctor) দুই মালিককে গ্রেপ্তার করে এবং স্ত্রী অলিভিয়াকে অংশীদারিত্ব থেকে বাদ দেয়। পুলিশ নজর রাখছিল পরিবারের উপর। অলিভিয়া ঘনিষ্ঠমহলে দুবাই চলে যাবেন বলতেই ফোন ট্র্যাক করে পুলিশ জানতে পারে (Fake Doctor) সায়দুল দেশে ফিরছেন। দিল্লি বিমানবন্দরে নামতেই তাঁকে ধরে ফেলে দিল্লি পুলিশ। ছেলে হারানো মা শিল্পা রায় গ্রেপ্তারের খবর শুনে (Fake Doctor) কেঁদে ফেলেন। তাঁকেও ফোনে হুমকি ও সোশাল মিডিয়ায় আপত্তিকর ছবি ছড়ানোর ভয় দেখানো হয়েছিল, সেই ঘটনায় একজন গ্রেপ্তারও হয়েছে। শিল্পার বক্তব্য, “আমার মতো আর কোনও মায়ের কোল যেন খালি না হয়। আইনের(Fake Doctor) পথেই কঠোর শাস্তি হোক।”
