আজকের দিনেবাংলার আয়নাবিশ্বভারত

SHUBHRANGSHU ROY WIFE : নেপালে হড়পা বানে নিখোঁজ স্ত্রী, ১৪ দিন পর এখনও আশার আলো দেখছেন শুভ্রাংশু রায়

ভালোবাসা ছড়িয়ে দাও

কিউ ইন্ডিয়া বাংলা, নিউজ ডেস্ক:- নেপালে বেড়াতে গিয়ে হড়পা বানের পর থেকে ১৪ দিন ধরে নিখোঁজ স্ত্রী শর্মিষ্ঠা ভৌমিক রায় (SHUBHRANGSHU ROY WIFE)। এবার নতুন আশার আলো দেখছেন মুকুলপুত্র শুভ্রাংশু রায়। তাঁর দাবি, চিনা সীমান্ত কর্তৃপক্ষ সকাল ৯টা নাগাদ চেকপয়েন্ট বন্ধ করে বেশ কয়েকটি দলকে নিরাপদ সামরিক শিবিরে সরিয়ে নিয়েছে।

ফেসবুক পোস্টে শুভ্রাংশু লিখেছেন, “সম্প্রতি পাওয়া কিছু প্রতিবেদন আমাদের জন্য আশার আলো দেখাচ্ছে (SHUBHRANGSHU ROY WIFE) । যা জরুরি ভিত্তিতে সরকারিভাবে যাচাই করা প্রয়োজন।”

তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, বিভিন্ন প্রতিবেদনে জানা যাচ্ছে যে চীনা সীমান্ত কর্তৃপক্ষ সকাল আনুমানিক ৯:০০টার দিকে চেকপয়েন্ট বন্ধ করে দেয় এবং বেশ কয়েকটি দলকে নিরাপদ অভ্যন্তরীণ সামরিক বা উদ্ধার শিবিরে সরিয়ে নিয়ে যায়। তিব্বত সীমান্ত এলাকায় যোগাযোগে নিষেধাজ্ঞা এবং ক্ষতিগ্রস্ত নেটওয়ার্কের কারণে সেখানে আশ্রয় নেওয়া ব্যক্তিরা হয়তো নিরাপদে আছেন, কিন্তু ফোন বা ইন্টারনেট থেকে বিচ্ছিন্ন। (SHUBHRANGSHU ROY WIFE)

এই প্রেক্ষিতে বিদেশমন্ত্রকের কাছে বিনীত অনুরোধ জানিয়েছেন শুভ্রাংশু – “এই বিষয়ে চিনের বিদেশমন্ত্রকের সঙ্গে কথা বলুন। আমাদের পরিবারের সদস্যরা সীমান্ত পেরিয়ে কোনও শিবিরে আছেন, তা যাচাই করা হলে ৩২ পরিবার চরম স্বস্তি পাবে।”

এর আগের দিনই ভ্রমণ সংস্থাকে কাঠগড়ায় তুলেছিলেন তিনি। জানিয়েছিলেন, তাঁর স্ত্রী ‘চলো যাই’ ভ্রমণ সংস্থার সঙ্গে নেপালে গিয়েছিলেন। নেপালে পৌঁছনোর পর দায়িত্ব নেয় ‘সম্রাট ট্যুর এন্ড ট্রাভেলস’ এবং তিব্বত সীমান্তে দায়িত্ব নেয় ‘লাসা’ নামে একটি চিনা সংস্থা। শুভ্রাংশুর প্রশ্ন, পর্যটকদের মৃত বলে প্রচার করা হলে, সম্রাট ও লাসার মধ্যে কী কথোপকথন হয়েছিল তা প্রকাশ্যে আনা হোক। যে বাসের ভিডিও প্রকাশ করা হয়েছে, তার সত্যতা যাচাই করতে বাসে থাকা প্রত্যেকের পাসপোর্ট ও ছবি সামনে আনার দাবিও তোলেন তিনি।

প্রসঙ্গত, গত ২১ তারিখ একটি ট্রাভেল এজেন্সির সঙ্গে একাই নেপাল রওনা হন শর্মিষ্ঠা। ২৫ তারিখ রাতে শেষবার স্ত্রীর সঙ্গে কথা হয় শুভ্রাংশুর। ২৬ তারিখ সকালে নেপালের চিন-তিব্বত সীমান্তে আছড়ে পড়ে ভয়াবহ হড়পা বান। তারপর থেকেই নিখোঁজ তিনি।

মিডিয়ায় পর্যটকদের মৃত্যুর খবর ছড়ালেও এখনও সরকারিভাবে কোনও নিশ্চিত তথ্য মেলেনি। তাই চিনের সামরিক শিবিরে ৩২ জন বাঙালি পর্যটকের আটকে থাকার সম্ভাবনা খতিয়ে দেখতে বিদেশমন্ত্রকের হস্তক্ষেপই এখন শেষ ভরসা বলে মনে করছেন শুভ্রাংশু ও অন্যান্য নিখোঁজদের পরিবার।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *