আজকের দিনেভারত

Narendra Modi: মোদীর বাসভবনে গভীর রাতের বৈঠক ঘিরে জল্পনা! মন্ত্রিসভা রদবদল নাকি বাদল অধিবেশনের প্রস্তুতি?

ভালোবাসা ছড়িয়ে দাও

কিউ ইন্ডিয়া বাংলা- বুধবার গভীর রাতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকারি বাসভবনে অনুষ্ঠিত এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠক ঘিরে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর চর্চা। বৈঠক শেষে একে একে বেরিয়ে যেতে দেখা যায় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নীতীন নবীন এবং দলের সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক বিএল সন্তোষকে। তবে এই বৈঠকে ঠিক কী নিয়ে আলোচনা হয়েছে, সে বিষয়ে সরকার বা বিজেপির পক্ষ থেকে কোনও আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেওয়া হয়নি। পুরো বিষয়টি গোপন রাখার চেষ্টা হওয়ায় জল্পনা আরও তীব্র হয়েছে।

রাজনৈতিক মহলের একাংশের ধারণা, আগামী ২০ জুলাই থেকে শুরু হতে চলা সংসদের বাদল অধিবেশনের আগে বড় কোনও সিদ্ধান্ত নিতে পারে কেন্দ্র সরকার। সেই কারণেই প্রধানমন্ত্রী মোদী দলের শীর্ষ নেতৃত্বকে নিয়ে দীর্ঘ বৈঠক করেছেন বলে মনে করা হচ্ছে। বিশেষ করে মন্ত্রিসভায় বড়সড় রদবদলের সম্ভাবনা নিয়ে ইতিমধ্যেই দিল্লির রাজনৈতিক অন্দরে আলোচনা চলছে। সূত্রের দাবি, কয়েকজন নতুন সাংসদকে মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত করা হতে পারে, আবার কিছু বর্তমান মন্ত্রীর দায়িত্বেও পরিবর্তন আসতে পারে।

একই সঙ্গে বিজেপির সাংগঠনিক স্তরেও পরিবর্তনের সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। নীতীন নবীন সভাপতি হওয়ার পর এখনও পর্যন্ত তাঁর পূর্ণাঙ্গ সাংগঠনিক টিম গঠন সম্পূর্ণ হয়নি। তাই মন্ত্রিসভার রদবদল এবং দলের সাংগঠনিক পুনর্গঠন একসঙ্গেই ঘোষণা করা হতে পারে বলে জল্পনা তৈরি হয়েছে।

এই জল্পনার মাঝেই আবার কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের নামও আলোচনায় উঠে এসেছে। সাম্প্রতিক সময়ে তাঁর পদত্যাগের দাবিতে বিভিন্ন মহলে প্রতিবাদ হয়েছে। যদিও তিনি বিজেপি ও সংঘ নেতৃত্বের ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত, ফলে তাঁকে সরানো হলেও অন্য কোনও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে বলে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশের মত। বুধবার রাতের বৈঠকে এই বিষয়েও আলোচনা হয়ে থাকতে পারে বলে অনুমান করা হচ্ছে।

আসন্ন বাদল অধিবেশনের কৌশল নির্ধারণও এই বৈঠকের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হতে পারে। সরকার যদি আসন পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত সংশোধনী বিল বা অন্য কোনও গুরুত্বপূর্ণ আইন পেশ করতে চায়, তাহলে তা পাস করানোর জন্য সংসদীয় অঙ্ক ও রাজনৈতিক সমীকরণ নিয়ে আগাম আলোচনা হওয়াই স্বাভাবিক। বিরোধী শিবিরের কিছু সাংসদকে নিজেদের দিকে টানার কৌশল নিয়েও আলোচনা হয়েছে বলে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা চলছে।তবে উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, এখনও পর্যন্ত এই বৈঠকের প্রকৃত উদ্দেশ্য সম্পর্কে কোনও সরকারি নিশ্চিত তথ্য সামনে আসেনি।

 

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *