আজকের দিনেতিলোত্তমারাজনীতি

ভবানী ভবন -এ হাজিরা নিয়ে চূড়ান্ত নাটকীয়তা

ভালোবাসা ছড়িয়ে দাও

কিউ ইন্ডিয়া বাংলা, কলকাতা:- ভবানী ভবনে না গিয়ে কালীঘাটের বাড়িতে পৌঁছলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। জাল সই কাণ্ডে আজ বিকেল ৬টার মধ্যে ভবানী ভবনে হাজিরা দেওয়া নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল তাঁকে। সেই মতন বৃহস্পতিবার বিকেলেই কলকাতা এসে পৌঁছান অভিষেক। কিন্তু সকলকে ধোঁয়াশার মধ্যে রেখেই ভবানী ভবন না গিয়ে সরাসরি কালীঘাটের বাড়ি গেলেন তিনি
সই কাণ্ডে  এর আগে তিন বার ডেকে পাঠানো হয় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় কে। তিন বারই হাজিরা এড়িয়ে যান তিনি। এদিন হাইকোর্টের ধমকির মুখে পরার পরেই আজই কলকাতায় আসার নির্দেশ দেয় হাইকোর্ট। সন্ধ্যা ৬ টার মধ্যে ডেডলাইন বেঁধে দিয়েছে আদালত। যদি সেই ডেডলাইন লঙ্ঘন করা হয়, তাহলে আদালত অবমাননা করা হবে। তিনি কী সোজা ভবানী ভবনে যাচ্ছেন? সেটাই এখন বড় প্রশ্ন। সই জাল কাণ্ড ঘিরে রাজ্যরাজনীতিতে শোরগোল।

ভবানী ভবনে চূড়ান্ত প্রস্তুতি। সিআইডি আধিকারিকেরা সব দিক দিয়ে প্রস্তুত। কলকাতা হাইকোর্টের স্পষ্ট নির্দেশ আজ হাজিরা দিতে হবে। গোটা ভবানী ভবন জুড়ে কড়া নিরাপত্তা। রয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। আঁটোসাঁটো নিরাপত্তা। যে সময় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় আসবেন ঠিক সেই সময় ওই রাস্তা ও রাস্তা সংলগ্ন এলাকায় গাড়ি চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেওয়া হবে। জানা গেছে এক কনফারেন্স রুমে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। তবে কিছুটা তাঁকে স্বস্তি দিয়েছে আদালত। ২১ দিনের রক্ষাকবচ দেওয়া হয়েছে অভিষেককে। সই জাল কাণ্ডে সিআইডির নজরে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এখনও মোট তিনবার পর্যন্ত সিআইডির হাজিরা এড়িয়েছেন তিনি। রক্ষাকবচ চেয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন অভিষেক। বুধবার দিল্লি থেকে ফেরার কথা থাকলেও গ্রেফতারির আশঙ্কায় তিনি রাজধানীতেই থেকে গিয়েছিলেন। বৃহস্পতিবার হাই কোর্টে ছিল অভিষেকের মামলার শুনানি। সেখানেই বিচারপতি কৌশিক চন্দের কড়া ধমকের মুখে পড়েছেন অভিষেক। বিচারপতি প্রশ্ন করেন, আপনি বার বার হাজিরা এড়িয়ে যাচ্ছেন কেন? কখন সিআইডির কাছে যাবেন ১০ মিনিটের মধ্যে জানান। তদন্তে সহযোগিতা করতেই হবে।” আদালত সূত্রে খবর, বিচারপতি কৌশিক চন্দ আজ, অর্থাৎ বৃহস্পতিবার বিকেল ৬ টার মধ্যে ভবানী ভবনে সিআইডি দফতরে হাজিরা দেওয়ার নির্দেশ দেন। হাইকোর্টের নির্দেশ পাওয়ার পরেই তড়িঘড়ি কলকাতায় ফিরলেন অভিষেক।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *