আজকের দিনেবাংলার আয়না

Bengal Border : সীমান্ত সুরক্ষায় তৎপর রাজ্য, বিএসএফকে দেওয়া জমির পরিমাণ বেড়ে দাঁড়াল ১৪২.৭৯ একর !

ভালোবাসা ছড়িয়ে দাও

কিউ ইন্ডিয়া বাংলা:-সীমান্ত এলাকার নিরাপত্তা জোরদার করতে আরও একধাপ এগোল রাজ্য সরকার। প্রাথমিক পর্বের পর দ্বিতীয় পর্যায়েও বিএসএফের হাতে নতুন করে জমি তুলে দেওয়া হয়েছে। এই নিয়ে মোট হস্তান্তরিত জমির পরিমাণ দাঁড়াল ১৪২.৭৯ একর। হস্তান্তরিত জমিতে বিএসএফ আউটপোস্ট ও কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের কাজ শুরু হবে।

রাজ্য সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, সীমান্তবর্তী জেলাগুলিতে নিরাপত্তা পরিকাঠামো গড়ে তুলতে বিএসএফকে পর্যায়ক্রমে জমি দেওয়ার কাজ চলছে। এখনও পর্যন্ত কোচবিহার জেলায় ২২.৯৫ একর, জলপাইগুড়িতে ৩৫.১৬৫ একর, দার্জিলিংয়ে ৮.৮১৫ একর, উত্তর দিনাজপুরে ২.৮৪ একর, দক্ষিণ দিনাজপুরে ২০.১৭০১ একর, মালদায় ১০.৯০ একর, মুর্শিদাবাদে ৩৮.৮০৫ একর, নদীয়ায় ০.৫৫ একর এবং উত্তর ২৪ পরগনায় ২.৬ একর জমি হস্তান্তর করা হয়েছে।

প্রশাসনিক সূত্রের খবর, সীমান্ত এলাকায় দ্রুত জমি চিহ্নিতকরণ ও হস্তান্তরের জন্য জেলা প্রশাসনগুলিকে বিশেষ নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। সেই নির্দেশ মেনে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় জমি হস্তান্তরের কাজ এগোচ্ছে। হস্তান্তরিত এই জমিতে বিএসএফের নতুন বর্ডার আউটপোস্ট, ওয়াচ টাওয়ার, টহলদারি রাস্তা ও কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণ করা হবে। এর ফলে সীমান্ত দিয়ে চোরাচালান, গবাদিপশু পাচার ও অনুপ্রবেশের মতো ঘটনাগুলি অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আসবে বলে মনে করছে প্রশাসন।

পাশাপাশি সীমান্তবর্তী গ্রামগুলির বাসিন্দাদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতেও এই পদক্ষেপ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে। স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে সমন্বয় রেখে বিএসএফ যাতে নির্বিঘ্নে কাজ করতে পারে, সে বিষয়েও রাজ্য সরকার নজর রাখছে। জমি হস্তান্তরের পাশাপাশি প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক সহায়তাও দেওয়া হচ্ছে বলে নবান্ন সূত্রে জানা গিয়েছে।

রাজ্য মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠকেই ৪৫ দিনের মধ্যে ৬০০ একর জমি হস্তান্তরের লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছিল। সেই লক্ষ্যের দিকে দৃঢ় পদক্ষেপে এগোচ্ছে রাজ্য। বর্তমান গতিতে জমি হস্তান্তরের কাজ চললে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই লক্ষ্যমাত্রা পূরণ সম্ভব হবে। সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি সীমান্তবর্তী মানুষের জীবন ও জীবিকার নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই রাজ্য সরকারের অগ্রাধিকার, আর এই উদ্যোগ সেই দিশাতেই একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *