Petrol-Diesel : দু’সপ্তাহে চারবার বাড়ল পেট্রল-ডিজেলের দাম, মধ্যবিত্তের পকেটে চাপ বাড়ার শঙ্কা !
কিউ ইন্ডিয়া বাংলা :- পশ্চিম এশিয়ায় সংঘাতের আবহে ফের মহার্ঘ হলো জ্বালানি। সোমবার একধাক্কায় পেট্রলের দাম লিটার প্রতি ২ টাকা ৬১ পয়সা এবং ডিজেলের দাম ২ টাকা ৭১ পয়সা বাড়ানো হয়েছে। দুই সপ্তাহের মধ্যে চতুর্থবার দাম বাড়ায় নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের মূল্যবৃদ্ধির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। চাপে পড়েছে মধ্যবিত্তের পকেট।
সোমবার থেকে বর্ধিত দামেই পেট্রল-ডিজেল কিনতে হচ্ছে ক্রেতাদের। এর আগে শনিবার, ২৩ মে পেট্রলে ৮৭ পয়সা এবং ডিজেলে ৯৭ পয়সা দাম বেড়েছিল। কলকাতায় নতুন দামে পেট্রল বিক্রি হচ্ছে ১১৩ টাকা ৫১ পয়সা এবং ডিজেল ৯৯ টাকা ৮২ পয়সা প্রতি লিটারে। মুম্বইতেও ছবিটা একই। সেখানে পেট্রলের দাম বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১১১ টাকা ২১ পয়সা, ডিজেল ৯৭ টাকা ৮৩ পয়সা।
দাম বৃদ্ধির জেরে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তির মুখে পড়তে চলেছে মধ্যবিত্ত। ব্যক্তিগত গাড়ি ও বাইকে তেল ভরতে খরচ বাড়ার পাশাপাশি বাস-ট্যাক্সির ভাড়া বাড়ার সম্ভাবনাও তৈরি হয়েছে। জ্বালানির দাম বাড়ায় পরিবহণ খরচ বাড়বে। তার সরাসরি প্রভাব পড়বে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দামে। চাল-ডাল থেকে সবজি, সবকিছুর দাম বাড়ার আশঙ্কা করছেন অর্থনীতিবিদরা।
উল্লেখ্য, পশ্চিম এশিয়ার অস্থিরতার মধ্যে গত ১১ মাসে পেট্রল-ডিজেলের দামে বড় হেরফের হয়নি। তবে সরবরাহে টান পড়ায় দাম বৃদ্ধির জন্য কেন্দ্রের কাছে আবেদন জানাচ্ছিল রাষ্ট্রায়ত্ত তেল সংস্থাগুলি। এরপর ১৫ মে পেট্রল-ডিজেলে লিটার প্রতি গড়ে ৩ টাকা এবং সিএনজির দাম ২ টাকা বাড়ে। ১৯ মে ফের পেট্রলে ৯০ পয়সা দাম বাড়ে। তারপর ২৩ মে এবং সোমবার—দু’দফায় আবার দাম বাড়ল।
পশ্চিম এশিয়ার উত্তেজনার আবহে দেশবাসীকে পেট্রল-ডিজেলের ব্যবহারে রাশ টানার বার্তা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। রান্নার গ্যাস, ভোজ্য তেল, সার-সহ একাধিক পণ্যের দাম নিয়েও উদ্বেগ রয়েছে। ওয়াকিবহাল মহলের একাংশের মতে, আন্তর্জাতিক বাজারে অশোধিত তেলের দাম ও হরমুজ প্রণালীর পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে ভবিষ্যতে জ্বালানির দাম আরও বাড়তে পারে। ফলে আপাতত মূল্যবৃদ্ধির বোঝা নিয়েই চলতে হবে সাধারণ মানুষকে।
