আজকের দিনেআবহাওয়া

নির্ধারিত সময়েই আন্দামানে ঢুকছে বর্ষা

ভালোবাসা ছড়িয়ে দাও

কিউ ইন্ডিয়া বাংলা,কলকাতা: তীব্র গরমে ও চড়া রোদে রাজ্যজুড়ে যখন হাসফাঁস দশা আমজনতার, তখনই এল এক টুকরো স্বস্তির খবর। আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, একেবারে ঘড়ির কাঁটা মেনে নির্ধারিত সময়েই ভারতের মূল ভূখণ্ডে পা রাখতে চলেছে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমী বায়ু। আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জে বর্ষা প্রবেশ করবে।

দ্বীপপুঞ্জে সঠিক সময়ে বর্ষা আসার অর্থ হলো, যদি কোনো বড়সড় প্রাকৃতিক বিপর্যয় বা ঘূর্ণিঝড় বাধা হয়ে না দাঁড়ায়, তবে জুনের মাঝামাঝি সময়েই দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমী বায়ু প্রবেশ করবে পশ্চিমবঙ্গেও।

আন্দামানে ভারী বৃষ্টির লাল সতর্কতা, পর্যটকদের সাবধানবাণী

আবহাওয়াবিদদের মতে, আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জে বর্ষা প্রবেশের স্বাভাবিক সময় হলো ১৬ মে। এবার দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে তৈরি হওয়া একটি নিম্নচাপের জেরে কোনো রকম দেরি না করেই সঠিক সময়ে আগমন ঘটছে বর্ষার।

এর প্রভাবে আগামী কয়েকদিন আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জে তুমুল ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। পরিস্থিতি বিবেচনা করে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের তরফে ইতিমধ্যেই পর্যটকদের জন্য বিশেষ সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছে।

উত্তরবঙ্গে বৃষ্টির দাপট: আলিপুরদুয়ার-জলপাইগুড়িতে অতি ভারী বৃষ্টি

রাজ্যের বাকি অংশ গরমে পুড়লেও উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে কিন্তু বৃষ্টির দাপট বজায় থাকবে। হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস:

  • রবিবার পর্যন্ত: উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সতর্কতা রয়েছে। বিশেষ করে আলিপুরদুয়ার এবং জলপাইগুড়িতে রেকর্ড ভাঙা বৃষ্টির সম্ভাবনা।

  • বাকি জেলা: দার্জিলিং, কালিম্পং ও কোচবিহারেও টানা ভারী বৃষ্টি চলবে।

  • সোমবার পর্যন্ত: উত্তরবঙ্গের আটটি জেলাতেই সোমাবার পর্যন্ত বিক্ষিপ্তভাবে ঝোড়ো হাওয়ার সঙ্গে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টিপাত জারি থাকবে।

পুড়বে দক্ষিণবঙ্গ, এক ধাক্কায় ৪ ডিগ্রি পর্যন্ত বাড়বে তাপমাত্রা

উত্তরবঙ্গ ভিজলেও দক্ষিণবঙ্গের কপালে এখনই কোনো স্বস্তির বার্তা নেই। উল্টে আগামী কয়েকদিনে গরম এবং আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তি আরও বাড়বে। আবহাওয়া দপ্তর স্পষ্ট জানিয়েছে, দক্ষিণবঙ্গে আপাতত বৃষ্টির কোনো সম্ভাবনা নেই।

আগামী কয়েকদিনে দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলির তাপমাত্রা এক ধাক্কায় ২ থেকে ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বেড়ে যেতে পারে। বিশেষ করে বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, পশ্চিম মেদিনীপুর ও ঝাড়গ্রামের মতো পশ্চিমের জেলাগুলিতে গরমের তীব্রতা সবচেয়ে বেশি থাকবে। ফলে জুনের মাঝামাঝি বর্ষা আসার আগে পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গবাসীকে চড়া রোদ আর ঘর্মাক্ত অস্বস্তিকর পরিস্থিতিই সহ্য করতে হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *