US-Denmark : গ্রিনল্যান্ড নিয়ে আমেরিকা-ডেনমার্কের ‘ঐতিহাসিক’ সমঝোতা, বরফের দেশে বাড়ছে মার্কিন সামরিক আধিপত্য
কিউ ইন্ডিয়া বাংলা, নিউজ ডেস্ক:-:কিনে নেওয়ার জেদ থেকে সরে ত্রিপাক্ষিক নিরাপত্তা চুক্তিতে সই করতে চলেছে ওয়াশিংটন (US-Denmark)। আমেরিকা, ডেনমার্ক এবং স্বায়ত্তশাসিত গ্রিনল্যান্ডের মধ্যে সমঝোতা চূড়ান্ত। চুক্তি অনুযায়ী গ্রিনল্যান্ডে আমেরিকা তার সামরিক উপস্থিতি বড় আকারে বাড়াবে এবং কোনও ‘শত্রু দেশ’ সেখানে ঘাঁটি বা সংবেদনশীল ক্ষেত্রে লগ্নি করতে পারবে না আমেরিকার লিখিত অনুমোদন ছাড়া (US-Denmark)।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজের ট্রুথ সোশ্যাল হ্যান্ডলে এই সমঝোতার কথা ঘোষণা করেন (US-Denmark)। তিনি লিখেছেন, আমেরিকা গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তায় যা প্রয়োজন তাই করার চিরস্থায়ী ক্ষমতা পাবে এবং এটি আমেরিকার জন্য ‘স্বপ্নপূরণ’ (US-Denmark)। চুক্তিটি অনন্তকালের, অর্থাৎ এর কোনও মেয়াদ শেষ হবে না।
ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ডও যৌথ বিবৃতিতে চুক্তিকে স্বাগত জানিয়েছে। সব ঠিক থাকলে আগামী সপ্তাহে নিউ ইয়র্কে রাষ্ট্রপুঞ্জের সাধারণ সভার অধিবেশনের ফাঁকেই তিন পক্ষ সই করবে (US-Denmark)। ডেনমার্ক জানিয়েছে, চুক্তি আর্কটিক ও উত্তর আটলান্টিকে যৌথ নিরাপত্তা জোরদার করবে।
আমেরিকা কেন এত মরিয়া? গ্রিনল্যান্ড শুধু সামরিক কৌশলগত দিক থেকেই নয়, বিরল খনিজ সম্পদে ভরপুর (US-Denmark)। চুক্তির মূল লক্ষ্য আর্কটিকে চিন ও রাশিয়ার প্রবেশ রুখে দেওয়া। ১৯৫১ সালের চুক্তিতে আমেরিকা প্রায় পুরো গ্রিনল্যান্ডে ঘাঁটি ও ওভারফ্লাইটের অধিকার পেয়েছিল, কিন্তু এবার শত্রুদের রুখতে নির্দিষ্ট ভেটো ক্ষমতা পাচ্ছে পেন্টাগন। বর্তমানে দ্বীপের উত্তর-পশ্চিমে পিতুফিক স্পেস বেস রয়েছে আমেরিকার (US-Denmark)। নতুন চুক্তির পর দক্ষিণ গ্রিনল্যান্ডের নারসারসুয়াক-সহ পুরনো রানওয়ে ফের চালু করার সমীক্ষা শুরু হয়েছে।
এক সময় ট্রাম্প গ্রিনল্যান্ড কিনে নেওয়ার জেদ ধরেছিলেন, দরকারে সামরিক শক্তি প্রয়োগের হুমকিও দিয়েছিলেন (US-Denmark)। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে যায় যে ডেনমার্কের সেনা জরুরি বিস্ফোরক ও রক্ত নিয়ে দ্বীপে পৌঁছে রানওয়ে উড়িয়ে দেওয়ার পরিকল্পনাও করেছিল। (US-Denmark) শেষ পর্যন্ত সংঘাত এড়িয়ে কূটনৈতিক সমাধানেই যাচ্ছে ওয়াশিংটন।
ট্রাম্প একে বিনা খরচে নিরাপত্তার পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ বলে (US-Denmark) দাবি করলেও ডেনমার্ক বলছে, সার্বভৌমত্ব, ভৌগোলিক অখণ্ডতা এবং আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার পুরোপুরি অক্ষুণ্ণ থাকছে।
