SUMIT ROY- IPAC : তোলাবাজিতে যুগলবন্দি? সুমিতের সঙ্গে একই মামলায় নাম প্রতীক জৈনের আপ্তসহায়ক সৌম্যজিতের
কিউ ইন্ডিয়া বাংলা, কলকাতা:- ৫০ লক্ষ টাকা (SUMIT ROY- IPAC) তোলাবাজি ও প্রতারণার অভিযোগে এবার অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আপ্তসহায়ক সুমিত রায়ের সঙ্গে নাম জড়াল আইপ্যাক প্রধান প্রতীক জৈনের তৎকালীন আপ্তসহায়ক সৌম্যজিৎ সেনের (SUMIT ROY- IPAC) । ক্যামাক স্ট্রিটের দপ্তরে নগদ টাকা লেনদেনের অভিযোগে শালবনি থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন এক বালি ব্যবসায়ী।
বাঁকুড়ার জয়পুরের বাসিন্দা বালি ব্যবসায়ী নাদিয়া চৌধুরীর অভিযোগ, ২০২৪ সালে বালি চালানের সময় ওভারলোডিংয়ের প্রশাসনিক অনুমতি পাইয়ে দেওয়ার নাম করে তাঁর কাছ থেকে দফায় দফায় টাকা আদায় করা হয় (SUMIT ROY- IPAC) । পুলিশ সূত্রে খবর, ব্যবসায়িক সূত্রে পরিচিত প্রশান্ত দাস নামে এক ব্যক্তি প্রথম তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করেন এবং ৫০ লক্ষ টাকা দাবি করেন।
ব্যবসায়ীকে আশ্বাস দেওয়া হয়, এই টাকা দিলে ট্রাকে নির্ধারিত পরিমাণের চেয়ে বেশি বালি নিয়ে যাতায়াতে প্রশাসনিক স্তরে কোনও বাধা থাকবে না, পুলিশ বা পরিবহণ দপ্তর আটকাবে না। প্রথমে তিনি রাজি না হলেও পরে ব্যবসা বন্ধ করে দেওয়া এবং প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ।
ভয়ে তিনি শেষ পর্যন্ত টাকা দিতে রাজি হন। অভিযোগকারীর দাবি, হুমকির মুখে তাঁকে কলকাতার ক্যামাক স্ট্রিটে আইপ্যাকের কার্যালয়ে যেতে বাধ্য করা হয়। সেখানেই আইপ্যাক প্রধান প্রতীক জৈনের তৎকালীন আপ্তসহায়ক সৌম্যজিৎ সেনের হাতে সরাসরি নগদ ১৯ লক্ষ ৬২ হাজার টাকা তুলে দেন তিনি। বাকি টাকাও দফায় দফায় নেওয়া হয় বলে অভিযোগপত্রে উল্লেখ রয়েছে।
এই ঘটনায় গত জুন মাসেই সুমিত রায়, সৌম্যজিৎ সেন সহ একাধিক ব্যক্তির বিরুদ্ধে প্রতারণা ও তোলাবাজির ধারায় শালবনি থানায় মামলা দায়ের হয়। পুলিশের অনুমান, প্রশাসনিক যোগসাজশের ভয় দেখিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই এই চক্র সক্রিয় ছিল।
গোটা চক্রে সুমিত ও সৌম্যজিতের ভূমিকা ঠিক কী ছিল, ক্যামাক স্ট্রিটের অফিসকে কীভাবে ব্যবহার করা হত এবং আর কারা এই তোলাবাজি চক্রের সঙ্গে যুক্ত, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। তদন্তের স্বার্থে এবার অভিযুক্তদের একে একে তলব করা হতে পারে বলে সূত্রের খবর।
