SIKKIM : পাহাড় ভেঙে বাড়ির উপর, কাদার স্রোত রাস্তায়! ভূমিধসে বিধ্বস্ত সিকিম, বন্ধ জাতীয় সড়ক
কিউ ইন্ডিয়া বাংলা, সিকিম :- একটানা ভারী বর্ষণে বিধ্বস্ত হিমালয়ের বিস্তীর্ণ অঞ্চল (SIKKIM)। সিকিম, ভুটান ও নেপাল পাহাড়ে অব্যাহত ভূমিধস। সিকিম-শিলিগুড়ি সড়ক যোগাযোগের ‘লাইফ লাইন’ ১০ নম্বর জাতীয় সড়ক ২০ মাইল এলাকায় ফের অবরুদ্ধ। পুজোর মুখে পাহাড়ে আটকে পড়েছেন পর্যটকরা (SIKKIM)।
বুধবার থেকে ভারী বৃষ্টি চলছে উত্তর সিকিমে (SIKKIM) । শুক্রবার ভোরে ১০ নম্বর জাতীয় সড়কের বারডাং-এ ২০ মাইল এলাকায় ধস নামে। রাস্তার উপর দিয়ে পাথর-কাদার স্রোত বইছে, যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ।
মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত গ্যাংটক জেলা (SIKKIM)। লুয়িং-রাঙ্কা হাইওয়ে, লোয়ার বোজোগহারি, লিংডিং, হাইকোর্ট রোড, ভিআইপি কলোনি, আপার বুরতুক, সিচে, আরিথাং-সহ একাধিক জায়গায় বাড়ি-গাড়ি চাপা পড়েছে কাদায়। বিধায়ক শেরিং টি ভুটিয়ার নেতৃত্বে যৌথ দল ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেছে। সিচের সুয়ারেজ ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট এবং এনচে স্কুলের কাছে জমে থাকা ধ্বংসস্তূপ ঝুঁকি বাড়িয়েছে।
উত্তর সিকিমের ফেনসং, কবি, লিংচুম-টিংডা এলাকাতেও ব্যাপক ধস। ধসের ঝুঁকি কমাতে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় ত্রিপল বিছানো হয়েছে। প্রশাসনের তরফে রাতে বিশেষ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। ৩২ মাইলের কাছে রাডাং এবং পূর্ব সিকিমের দুগাতেও রাস্তা বন্ধ।
প্রভাব পড়েছে প্রতিবেশী দেশেও। নেপালের জামিরেঘাটে পৃথ্বী হাইওয়ে এবং কৃষ্ণভিরে যান চলাচল বন্ধ। ভুটানের দোচুলা-ওয়াংদুয়ে পিএনএইচ-এর ৪৫.২০ কিমি পয়েন্টে একমুখী যান চলাচল শুরু হলেও সতর্কতা জারি রয়েছে।
পুজোর মরসুমে সিকিম, ভুটান ও নেপালের পর্যটন শিল্প নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে ট্যুর অপারেটরদের মধ্যে। প্রশাসন জানিয়েছে, বৃষ্টি না কমলে ধস পরিষ্কার ও রাস্তা সচল করতে আরও সময় লাগবে। অপ্রয়োজনে পাহাড়ি রাস্তায় যাতায়াত এড়ানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
