আজকের দিনেবিশ্বরাজনীতি

Sheikh Hasina : ব্রিকসে না আসায় তারেককে ‘অপরিণত’ তোপ হাসিনার, জাতীয় স্বার্থে আঘাতের অভিযোগ

কিউ ইন্ডিয়া বাংলা, নিউজ ডেস্ক:- ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিতে নয়াদিল্লি না আসায় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ‘অপরিণত’ বলে তোপ দাগলেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা (Sheikh Hasina)। পিটিআইকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, তারেকের এই সিদ্ধান্ত আত্মঘাতী এবং বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থের পরিপন্থী। দিল্লিতে সদ্যসমাপ্ত ব্রিকস সম্মেলনে ১১ দেশের প্রতিনিধি এলেও গরহাজির ছিল বাংলাদেশ (Sheikh Hasina)। জল্পনা ছিল, ব্রিকসে যোগ দিতে নয়াদিল্লি আসবেন তারেক রহমান, কিন্তু তিনি শেষ পর্যন্ত আসেননি। তাঁর এই অনুপস্থিতি নিয়েই এবার সরব হলেন হাসিনা।

 

সর্বভারতীয় এক সংবাদ সংস্থাকে হাসিনা বলেন, ব্রিকসে (Sheikh Hasina) বাংলাদেশ যোগ দিলে তা সেদেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নের জন্য নতুন সুযোগ তৈরি করত। তাঁর মতে, বাংলাদেশের একটি ভারসাম্যপূর্ণ এবং আত্মবিশ্বাসী বিদেশনীতি প্রয়োজন, যেখানে আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার পাবে দীর্ঘমেয়াদি জাতীয় স্বার্থ। কিন্তু তারেক ভারতে না আসার সিদ্ধান্ত নিয়ে সেই (Sheikh Hasina) নীতিকেই লঙ্ঘন করেছেন। দুই দেশের সম্পর্ক কোনও একজনের ব্যক্তিগত বিষয় হতে পারে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

 

উল্লেখ্য, তারেক ব্রিকসে না আসার পর শোনা গিয়েছিল, (Sheikh Hasina) নভেম্বরে তিনি ভারতে আসতে পারেন। বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের রাষ্ট্রদূত দীনেশ ত্রিবেদী এ নিয়ে আশাবাদী হলেও, বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল জানিয়েছেন, দিল্লির কাছে এখনও এ বিষয়ে কোনও তথ্য নেই। সম্প্রতি ত্রিবেদীও এই বিষয়ে সদর্থক কিছু জানাতে পারেননি। ওয়াকিবহাল মহলের দাবি, ভারতও ক্রমশ আগ্রহ (Sheikh Hasina) হারাচ্ছে এই বিষয়ে। ফলে শেষপর্যন্ত তারেকের ভারত সফর বিশ বাঁও জলে।

 

আমন্ত্রণ নিয়েও বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। ঢাকা দাবি (Sheikh Hasina) করেছিল, ‘বিমসটেক’-এর চেয়ারম্যান হিসাবে ব্রিকসে বাংলাদেশকে আমন্ত্রণ জানিয়েছিল ভারত, কিন্তু প্রধানমন্ত্রী হিসাবে তারেক রহমানকে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। যদিও নয়াদিল্লি সাফ জানায়, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী দু’টি পৃথক আমন্ত্রণ পেয়েছেন। অন্যদিকে, বাংলাদেশের বিদেশ প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবীর বলেন, তারেক ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দেননি, (Sheikh Hasina) কারণ ঢাকা দ্বিপাক্ষিক আলোচনার মাধ্যমে ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক পুনর্গঠন করতে ইচ্ছুক, কোনও বহুপাক্ষিক মঞ্চে নয়। সেই জট এখনও অব্যাহত। আর এই পরিস্থিতিতে হাসিনার এই মন্তব্য দুই দেশের কূটনৈতিক মহলে নতুন করে জল্পনা বাড়িয়েছে। এখন দেখার, প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর এই ‘ধমক’-এর পালটা কোনও প্রতিক্রিয়া দেন কিনা বাংলাদেশের বর্তমান (Sheikh Hasina) প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *