আজকের দিনেতিলোত্তমা

গ্রেফতার আইপ্যাক এর অন্যতম ডিরেক্টর, আক্রমণে অভিষেক

ভালোবাসা ছড়িয়ে দাও

কিউ ইন্ডিয়া বাংলা : – গতকাল ১৩ই এপ্রিল রাতে পয়লা বাজার মামলায় গ্রেফতার করা হয় আইপ্যাড সংস্থার অন্যতম ডিরেক্টর ভিনেশ চান্ডাল কে । পশ্চিমবঙ্গের পয়লা বাজার মামলায় তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং তার বিরুদ্ধে বেআইনি লেনদেনের অভিযোগ রয়েছে এমনটাই খবর সূত্রেও মারফত। ঘটনায় সুর চড়িয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক তথা ডায়মন্ড হারবার সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।

এই গ্রেফতারি নিয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় তার এক্স হ্যান্ডেলে বলেন ”

বাংলার নির্বাচনের ঠিক ১০ দিন আগে আই-প্যাক (I-PAC)-এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা ভিনেশ চান্দেলের গ্রেপ্তার কেবল উদ্বেগজনকই নয়- এটি ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’-এর মূল ধারণাকেই নড়িয়ে দিয়েছে।

অভিষেকের কথায়, ‘এমন এক সময়ে গ্রেফতার, যখন পশ্চিমবঙ্গের উচিত অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের দিকে এগিয়ে চলেছি, তখন এ ধরনের পদক্ষেপ একটি হাড়হিম করা বার্তা দেয়। এর অর্থ আপনি যদি বিরোধী পক্ষের হয়ে কাজ করেন, তবে পরবর্তী লক্ষ্য হতে পারেন আপনিই। এটি গণতন্ত্র নয়—এটি স্রেফ ভয়ভীতি প্রদর্শন।’ তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক লেখেন, ‘যারা দুর্নীতির গুরুতর অভিযোগের মুখোমুখি, তারা পক্ষ পরিবর্তন করে অন্য দলে যোগ দেওয়ার মুহূর্তেই যেন সুরক্ষা পেয়ে যান; অথচ অন্যদের রাজনৈতিকভাবে সুবিধাজনক সময়ে দ্রুত লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করা হয়। মানুষ এখন আর এই বিষয়টির প্রতি অন্ধ হয়ে নেই। গণতন্ত্রকে রক্ষা করার উদ্দেশ্যে গঠিত প্রতিষ্ঠানগুলো যখন চাপের হাতিয়ার হয়ে উঠেছে বলে মনে হতে শুরু করে, তখন মানুষের আস্থা ক্ষয়ে যেতে থাকে। একদিকে নির্বাচন কমিশন; অন্যদিকে ইডি (ED), এনআইএ (NIA) এবং সিবিআই (CBI)-এর মতো সংস্থাগুলো—যারা ঠিক সবচেয়ে সংবেদনশীল সময়ে ময়দানে নেমে পড়ে। এটি সুষ্ঠু পরিবেশ নয়, বরং ভয়ের এক আবহ তৈরি করে।’

এই ঘটনা নিয়ে বিজেপিকে নিশানা করেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক। তাঁর কথায়, ‘অভিষেক এবং বিজেপির ক্ষমতার কাঠামোকে বলছি—আগামী ৪ ও ৫ মে আপনারা বাংলায় উপস্থিত থাকবেন। জ্ঞানেশ কুমার এবং আপনারা যতগুলো সংস্থাকে কাজে লাগিয়েছেন, তাদের সবাইকে সঙ্গে নিয়েই আসবেন। বাংলাকে ভয় দেখিয়ে কাবু করা যাবে না; বাংলার কণ্ঠ রোধ করা যাবে না এবং বাংলা কারও কাছে মাথা নত করবে না। এটি এমন এক মাটি, যা চাপের জবাবে প্রতিরোধ গড়ে তোলে—আর সেই প্রতিরোধের প্রকৃত অর্থ কী, তা বাংলা আপনাদের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেবে!’

প্রসঙ্গত ১৫ এপ্রিল, ফের সুপ্রিম কোর্টে আই প্যাক মামলার শুনানি রয়েছে। তার আগে সোমবার গ্রেফতার করা হল সংস্থার ডিরেক্টর ও সহ প্রতিষ্ঠাতাকে। ইডি সূত্রে দাবি, এর আগেই এই ভোট কুশলী সংস্থার ২ কর্তা প্রতীক জৈন ও ঋষিরাজ সিংকে দিল্লির অফিসে তলব করে নোটিস দেওয়া হয়। ৩০ এপ্রিলের পরে হাজিরা দিতে চেয়ে দিল্লি হাইকোর্টে যান তাঁরা। আগামী ১৭ই এপ্রিল দিল্লি হাইকোর্টে সেই মামলার শুনানি রয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *