যুবসাথীর অনলাইন পোর্টালে ফর্ম ফিল আপ করবেন কী ভাবে ?
কিউ ইন্ডিয়া বাংলা:-পশ্চিমবঙ্গ সরকার এবারের অন্তর্বর্তীকালীন বাজেটে যুব সাথী প্রকল্প চালু করার ঘোষণা করেছিল। প্রথমে শুধু অফলাইন পদ্ধতিতে এই প্রকল্পের নাম নথিভুক্ত করার কথা বলা হলেও পরবর্তীকালে অনলাইন পোর্টালের মাধ্যমে এই ফরম ফিলাপ রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে চালু করা হয়। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী এই প্রকল্প ঘোষণার পর অনলাইনে চালু করার ব্যাপারে সরব হয়েছিলেন।
পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পক্ষ থেকে চালু হওয়া এই যুব সাথী প্রকল্পের অনলাইন ফর্ম ফিলাপ নিয়ে একাধিক মিথ্যা তথ্য সোশ্যাল মিডিয়ায় ঘুরছে। কোন প্রকার বিভ্রান্ত না হয়ে জেনে নিন অনলাইন ফর্ম ফিলাপের সঠিক পদ্ধতি । apas.wb.gov.in অথবা https://yubasathi.wb.gov.in ওয়েবসাইট থেকে যুব সাথী প্রকল্পের আবেদন করা যাবে।
পোর্টালে ঢোকার পর নিজের মোবাইল নম্বর ও ক্যাপচা কোড দিয়ে ওটিপি পূরণের পর একে একে নিজের নাম,বয়স, অভিভাবকের নাম , আধার কার্ড নম্বর, ঠিকানা, মাধ্যমিক পরীক্ষা দেওয়ার সাল, মাধ্যমিকের রোল নম্বর , ব্যাংক অ্যাকাউন্ট এর সমস্ত তথ্য যথাস্থানে পূরণ করতে হবে ।
ডকুমেন্ট আপলোডের ক্ষেত্রে মাধ্যমিক বা সমতুল্য পরীক্ষার অ্যাডমিট কার্ড, মাধ্যমিকের মার্কশিট অথবা সার্টিফিকেট, আধার কার্ড, ভোটার কার্ড , ব্যাংকের প্রথম পাতা, রঙিন ফটো ও আবেদনকারীর স্বাক্ষর দিতে হবে । এবার সমস্ত ডকুমেন্টগুলি জেরক্স করে নিচে Self Attested করে পিডিএফ ফরম্যাটে ৩০০ কেবি সাইজের মধ্যে আপলোড করতে হবে। ফটো এবং স্বাক্ষর Jpg অথবা Png ফরম্যাটে ৫০ কেবি সাইজের মধ্যে আপলোড করতে হবে।আরো একটা গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রফেশন এর জায়গায় কেউ Student লিখবেন না । সেখানে Unemployed লিখতে হবে।
ফর্ম সাবমিট করার পর আবেদনকারীদের একটি রেজিস্ট্রেশন নম্বর দেওয়া হবে । পরবর্তীকালে যুব সাথীর আবেদনের অগ্রগতি এই রেজিস্ট্রেশন নম্বর ব্যবহার করে দেখা যাবে।
কারা পাবেন না যুব সাথী ?
যে সকল ব্যক্তিরা রাজ্য সরকারের কৃষক বন্ধু বা লক্ষীর ভান্ডার প্রকল্পে টাকা পান তারা এই প্রকল্পে আবেদন করতে পারবেন না। তারা আবেদন করলে সেটি বাতিল করা হবে । মূলত ২১ থেকে ৪০ বছর বয়সী মাধ্যমিক পাস যুবক যুবতীরা যারা রাজ্য সরকারের অন্য কোন প্রকল্পের সহায়তা পান না তারা এই প্রকল্পে আবেদন করার যোগ্য।
