আজকের দিনেখেলাতিলোত্তমা

Football-East Bengal : মিগুয়েল হাতছাড়া, মাঝমাঠ শক্ত করতে কাশ্মীরি তারকা দানিশ ফারুককে টার্গেট ইস্টবেঙ্গলের !

ভালোবাসা ছড়িয়ে দাও

কিউ ইন্ডিয়া বাংলা, কলকাতা:- মিগুয়েলকে দলে টানতে ব্যর্থ হওয়ার পর এবার মাঝমাঠ মজবুত করতে মরিয়া ইস্টবেঙ্গল। লাল-হলুদ কর্তারা ঝাঁপিয়েছেন কাশ্মীরের জাতীয় দলের মিডফিল্ডার দানিশ ফারুককে সই করাতে।

গত মরশুমে আইএসএলে কেরল ব্লাস্টার্সের জার্সিতে ধারাবাহিকভাবে নজরকাড়া ফুটবল উপহার দিয়েছেন দানিশ ফারুক। ২৩টি ম্যাচে মাঠে নেমে ২ গোলের পাশাপাশি ৩টি অ্যাসিস্ট করেছেন তিনি। তবে শুধু গোল-অ্যাসিস্ট নয়, মাঝমাঠে তাঁর ওয়ার্করেট, বল রিকভারি ও ট্রানজিশন প্লে নজর কেড়েছে কোচেদের। বক্স-টু-বক্স মিডফিল্ডার হিসেবে রক্ষণ ও আক্রমণে সমান সক্রিয় দানিশ।

কাশ্মীরের এই ফুটবলারের উত্থান চোখে পড়ার মতো। লোনস্টার কাশ্মীর থেকে উঠে এসে, রিয়েল কাশ্মীর, বেঙ্গালুরু এফসি ও পরে কেরল ব্লাস্টার্সে নিজেকে প্রমাণ করেছেন। তাঁর পারফরম্যান্সের সুবাদেই জাতীয় দলের দরজা খুলে যায়। বর্তমান ভারতীয় দলের কোচ খালিদ জামিলের অন্যতম আস্থাভাজন তিনি। এশিয়ান কাপের কোয়ালিফায়ারেও দলে ছিলেন দানিশ।

ইস্টবেঙ্গল শিবির মনে করছে, মিগুয়েলের মতো বিদেশি ক্রিয়েটিভ মিডফিল্ডার না পেলেও দানিশের অন্তর্ভুক্তি দলের ভারসাম্য ফেরাবে। ভারতীয় কোটায় একজন অভিজ্ঞ ও পরীক্ষিত মিডফিল্ডার পাওয়া মানে বিদেশি স্লট অন্য পজিশনে ব্যবহার করার সুযোগ থাকবে। পাশাপাশি দানিশের লিডারশিপ কোয়ালিটি ও বড় ম্যাচের অভিজ্ঞতা তরুণদেরও সাহায্য করবে।

তবে দানিশকে পাওয়া সহজ হবে না। কেরল ব্লাস্টার্স তাঁকে ধরে রাখতে চায়, পাশাপাশি আরও দুটি আইএসএল ক্লাবও তাঁর দিকে নজর রেখেছে। ইস্টবেঙ্গল কর্তারা তাই দ্রুত আলোচনা সেরে ফেলতে চাইছেন। আর্থিক প্যাকেজের পাশাপাশি নিয়মিত প্রথম একাদশে খেলার নিশ্চয়তা দিতে পারে লাল-হলুদ।

দলবদলের বাজারে মিগুয়েল হাতছাড়া হওয়ায় কিছুটা চাপে পড়লেও হাল ছাড়তে নারাজ ইস্টবেঙ্গল। দানিশ ফারুককে সই করাতে পারলে মাঝমাঠের গভীরতা ও লড়াকু মানসিকতা দুটোই বাড়বে। এখন দেখার, শেষ পর্যন্ত কাশ্মীরি তারকাকে লাল-হলুদ জার্সিতে মাঠে নামাতে পারে কিনা ইস্টবেঙ্গল ম্যানেজমেন্ট।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *