আজকের দিনেবাংলার আয়নাভারতরাজনীতি

CJP : ভোটচুরির প্রমাণ কোথায়? CJP-সহ বিরোধীদের নিশানা করে খোলা চিঠি ১২৪ প্রাক্তন আমলার

কিউ ইন্ডিয়া বাংলা,নয়াদিল্লি :- নির্বাচন কমিশনকে নিশানা করে বিরোধীদের লাগাতার (CJP) ভোটচুরির অভিযোগের পালটা জবাব দিলেন দেশের ১২৪ জন প্রাক্তন শীর্ষ আমলা। প্রমাণ ছাড়া নির্বাচনী প্রক্রিয়াকে বদনাম করার চেষ্টা হচ্ছে বলে খোলা চিঠিতে তোপ দেগেছেন তাঁরা। ভোটচুরির (CJP) অভিযোগে সরগরম জাতীয় রাজনীতি। ককরোচ জনতা পার্টি (CJP), আম আদমি পার্টি, বিভিন্ন বামপন্থী সংগঠন ও ইন্ডি জোট একযোগে দেশের নির্বাচন ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন তুলছে। নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়েও সরব হয়েছে বিরোধী (CJP) শিবির।

 

এই পরিস্থিতিতেই এবার দেশবাসীর উদ্দেশে খোলা চিঠি লিখলেন ১২৪ জন প্রাক্তন (CJP) আমলা। এই তালিকায় রয়েছেন প্রাক্তন IAS, IFS এবং IRS আধিকারিকরা। তাঁদের মধ্যে অন্যতম হলেন প্রাক্তন বিদেশ সচিব কানওয়াল সিব্বাল, প্রাক্তন IAS আর ডি কাপুর, সমীরেন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, গোপাল কৃষ্ণ, বিবেক ভারদ্বাজ, নবনীত সেহগালরা।খোলা চিঠিতে তাঁরা লিখেছেন, “আমরা কোনও রাজনৈতিক দলের নই। (CJP) কিন্তু একটা শব্দ বারবার ব্যবহার করা হচ্ছে – নির্বাচন রিগড, ভোটচুরি। এই শব্দের ক্রমাগত ব্যবহার আমাদের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে (CJP) প্রশ্নের মুখে দাঁড় করাচ্ছে। আমরা রিগড নির্বাচনের অর্থ জানি। আমরা জানি রিগড নির্বাচন জিনিসটা কী। সে দিন আমরা দেখে এসেছি। কীভাবে ব্যালট চুরি হত, কীভাবে বাহুবলিরা (CJP) ভোট করাত সেসব দিন আমরা দেখে এসেছি। বুথ দখল এতটাই স্বাভাবিক বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছিল যে বাধ্য হয়ে সংসদে আইন (CJP) করে সেটাকে অপরাধ বলে ঘোষণা করতে হয়। হিংসা কথা বললে গণতন্ত্র নীরব হয়ে যায়।”

 

বিরোধীদের উদ্দেশে তাঁদের সাফ বার্তা, “আপনারা নিজেদের প্রশ্ন করুন। (CJP) আপনাদের সমস্যাটা প্রক্রিয়া নিয়ে নাকি ফলাফল নিয়ে? একই সিস্টেমে আপনি ভোটে জিতলে সেটা সৎ আর হারলে সেটা চুরি, তা তো হতে পারে না।” ভোটার তালিকা নিয়েও মন্তব্য করেছেন তাঁরা। তাঁদের বক্তব্য, অস্বচ্ছ ভোটার তালিকা শুধুই প্রতারকদের স্বার্থরক্ষা করে, সাধারণ ভোটারদের নয়। বিহারের সাম্প্রতিক SIR প্রক্রিয়াকে (CJP) সমর্থন করে তাঁরা বলেছেন, “বিহারে এই প্রথমবার এত স্বচ্ছ ভোট হয়েছে।” নির্বাচন কমিশনের স্বচ্ছতা নিয়েও জোরালো (CJP) সওয়াল করেছেন প্রাক্তন আমলারা। তাঁদের দাবি, নির্বাচন কমিশনের অন্দরে কোনও অস্বচ্ছ্বতা থাকতেই পারে না, কারণ কমিশনের সব সিদ্ধান্ত হয় সর্বসম্মতিক্রমে। সবশেষে প্রাক্তন (CJP) আমলাদের বক্তব্য, প্রমাণ ছাড়া শুধুমাত্র রাজনৈতিক স্বার্থে নির্বাচনী প্রক্রিয়াকে বদনাম করার (CJP) চেষ্টা দেশের গণতন্ত্রের পক্ষে ক্ষতিকর। ভোটের ফল পছন্দ না হলেই গোটা ব্যবস্থাকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করানো (CJP) উচিত নয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *