আজকের দিনেবাংলার আয়নারাজনীতি

হাওড়ার সব বুথই স্পর্শকাতর! দুটি করে সিসি ক্যামেরার ব্যবস্থা কমিশনের

ভালোবাসা ছড়িয়ে দাও

কিউ ইন্ডিয়া বাংলা,কলকাতা:- বঙ্গে চলছে প্রথম দফার ভোট। তার জন্য নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে । বিশেষ নজর দিতে নজিরবিহীন নিরাপত্তা ও নজরদারির ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে নির্বাচন কমিশন। অবাধ এবং শান্তিপূর্ণ করাটা নির্বাচন কমিশনের কাছে বড় চ্যালেঞ্জ! কিন্তু এখনও পর্যন্ত যা ট্রেন্ড, তাতে মোটের উপর শান্তিপূর্ণভাবেই চলছে ভোটগ্রহণ। বাকি আছে ২৯ এপ্রিল দ্বিতীয় দফার ভোট।ওই দিন কলকাতা-সহ রাজ্যের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ আসনে ভোট রয়েছে। ভোট রয়েছে হাওড়ায় একাধিক আসনে।
কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, আগামী ২৯ এপ্রিল নির্বাচনের দিন হাওড়া জেলার ৪ হাজার ৫১৮টি বুথে প্রায় ১০ হাজার অত্যাধুনিক মানের সিসি ক্যামেরা থাকবে। স্পর্শকাতর বুথগুলিতে থাকবে দুটি করে ক্যামেরা।
হাওড়া জেলার অধিকাংশ বুথেই সিসি ক্যামেরা লাগানোর কাজ প্রায় শেষ। তবে এবার স্পর্শকাতর বুথগুলিতে বিশেষ নজর দিচ্ছে কমিশন। জেলা নির্বাচন দপ্তর সূত্রে খবর, স্পর্শকাতর বুথগুলির ভিতরে এবং বাইরে এবার একটি করে মোট ২টি সিসি ক্যামেরা থাকবে। কিন্তু অতি স্পর্শকাতর বুথগুলিতে ২টি ক্যামেরা বাইরে থাকবে ও একটি ক্যামেরা বুথের ভিতরে থাকবে। প্রসঙ্গত, নির্বাচন কমিশন এবার সব বুথকেই স্পর্শকাতর বলেছে। অর্থাৎ হাওড়ায় ৪ হাজার ৫১৮টি বুথই স্পর্শকাতর।
জেলা নির্বাচন দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, বুথগুলিতে ভোটের আগের দিন ভোটকর্মীরা পৌঁছনোর পর থেকেই ক্যামেরা দিয়ে নজরদারি শুরু করা হবে। চলবে পরের দিন ভোট শেষ হওয়া পর্যন্ত। অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোট প্রক্রিয়ার জন্য যে কঠোর পদক্ষেপগুলি নেওয়া হয়েছে তার মধ্যে অন্যতম হল সব বুথের ভিতরে ও বাইরে ক্যামেরার নজরদারি। সে জন্য অন্য নির্বাচনের তুলনায় এবার বুথগুলিতে ক্যামেরার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে। বুথের বাইরের পরিস্থিতি নজরে রাখার জন্য বুথের বাইরেও ক্যামেরা বসানো হচ্ছে।
প্রথম দফার ভোট গ্রহণ প্রক্রিয়া যাতে সুষ্ঠভাবে হয় তার জন্য নির্বাচন কমিশন মালদহ জেলার প্রতিটি বুথে কড়া নজরদারির প্রস্তুতি নিয়েছে। জেলার মোট ৩২৪৯টি বুথে সিসিটিভি ক্যামেরার মাধ্যমে লাইভ পর্যবেক্ষণ করা হবে, যা সরাসরি পৌঁছবে জেলা, রাজ্য এমনকি দিল্লির কন্ট্রোল রুমেও। জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, মালদহ জেলার ১২টি বিধানসভা কেন্দ্রের প্রতিটির জন্য আলাদা কন্ট্রোল রুম গড়ে তোলা হয়েছে।
বিশেষভাবে স্পর্শকাতর বুথগুলিতে দিল্লি থেকেও সরাসরি নজরদারি চালানো হবে। এছাড়াও কলকাতার মুখ্য নির্বাচন আধিকারিকের দফতর থেকেও পরিস্থিতির ওপর নজর রাখা হবে। ফলে বুথের ভেতরের কার্যকলাপ থেকে শুরু করে আশপাশের পরিস্থিতি সবকিছুই থাকবে প্রশাসনের কড়া নজরে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *