আজকের দিনেতিলোত্তমাবাংলার আয়না

বাংলার বিধানসভা ভোটে সিভিক পুলিশে না নির্বাচন কমিশনের

ভালোবাসা ছড়িয়ে দাও

কিউ ইন্ডিয়া বাংলা :- বঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের কাজে লাগানো যাবেনা সিভিক পুলিশ গ্রীন পুলিশদের । জানিয়ে দিল নির্বাচন কমিশন । এছাড়া পোলিং বুথের মধ্যে ক্যামেরা বন্ধ থাকলে সেই বুথে পুনঃনির্বাচন করতে হবে ।

বঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনকে মাথায় রেখে একগুচ্ছ কড়া নির্দেশের পথে কমিশন । বিগত নির্বাচন গুলির মতো এবারও ভোটের কাজের সিভিক ভলেন্টিয়ার গ্রীন পুলিশকে ব্যবহারে নিষিদ্ধ করল নির্বাচন কমিশন । রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক কে ইতিমধ্যে কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে এই নির্দেশ সংক্রান্ত চিঠি পাঠানো হয়েছে। ভোটের তিনদিন আগেও এবং পরেরদিনও ইউনিফর্ম পড়ে কোন ধরনের ডিউটি করতে পারবেন না সিভিক ভলেন্টিয়াররা । এর আগে ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচন এবং ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে এই নির্দেশ দিয়েছিল জাতীয় নির্বাচন কমিশন। আবারো ২৬ এর বিধানসভায় পুনরায় সেই নির্দেশ জারি করা হলো । প্রসঙ্গত ২৭ শে ফেব্রুয়ারি রাজ্য সরকার সিভিক ভলেন্টিয়ারদের বোনাস ঘোষণা করেছিল । এই বিষয়ে রাজ্য সরকারের কাছে তখন রিপোর্ট তলব করেছিল নির্বাচন কমিশন । এরপরে গতকাল ৮ ই এপ্রিল নির্দেশিকা জারি করে ভোটের কাজে সিভিক পুলিশ ব্যবহারের নিষেধাজ্ঞা জারি করা হলো । এছাড়া কোন কোন ক্ষেত্রে পুনঃনির্বাচন করতে হবে সেই বিষয়টা স্পষ্ট করল কমিশন। বুধবার, ভার্চুয়াল মাধ্যমে রাজ্যের সমস্ত পর্যবেক্ষকদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার এবং রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল। সেই বৈঠকে পর্যবেক্ষকদের কাছে স্পষ্ট করে দেওয়া হয়- কোন কোন ক্ষেত্রে রিপোল হবে। সূত্রের খবর, জ্ঞানেশ কুমার বলেন, কমিশনের ৩ হাজার ক্যামেরা বুথের ভিতর-বাইরে, রাস্তায়, নাকা চেকিং-এর কাজ করছে। বুথের ক্যামেরায় কালো কাপড় বা বুথের ক্যামেরা বন্ধ দেখলে অবিলম্বে সেখানে পুনর্নিবাচন ঘোষণা করতে হবে। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার বলেন, অতীতে এই নজির আছে এরাজ্যে, তাই নির্বাচনের সঙ্গে যুক্ত সবাইকে এবিষয়ে সতর্ক করবেন পর্যবেক্ষকরা। ক্যামেরায় গলদ দেখলেই সঙ্গে সঙ্গে পুনর্নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

প্রসঙ্গত আগামী ২৩ ও ২৯শে এপ্রিল পশ্চিমবঙ্গের দুই দফায় বিধানসভার ভোটগ্রহণ হবে। প্রথম দফায় ১৫২ টি আসনে এবং দ্বিতীয় দফায় ১৪২ টি আসনে । ফলাফল ঘোষণা করা হবে ৪ই মে। এবার দেখার অপেক্ষায় নির্বাচন কমিশনের এই নিরাপত্তা ব্যবস্থা ভোটে হিংসা কতটা কমাতে পারে ?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *