আজকের দিনেবিশ্ব

ট্রাম্প প্রশাসনে ‘মহিলা নিধন’ যজ্ঞ? বন্ডি-নোয়েমের পর এবার কি লক্ষ্য তুলসি-ক্যারোলিন!

ভালোবাসা ছড়িয়ে দাও

কিউ ইন্ডিয়া বাংলা, আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ‘নারীবিদ্বেষী’ আচরণের পুরনো অভিযোগ যেন নতুন করে ডানা মেলছে। এক মাসেরও কম সময়ের ব্যবধানে তাঁর ক্যাবিনেটের দুই শীর্ষস্থানীয় নারী সদস্যকে বরখাস্ত করার ঘটনায় তোলপাড় মার্কিন রাজনীতি। অভিযোগ উঠেছে, পুরুষ সহকর্মীদের গুরুতর অপরাধ ঢাকা পড়লেও, কেবল নারী হওয়ার কারণেই কোপ পড়ছে ক্রিস্টি নোয়েম বা প্যাম বন্ডিদের ওপর।

সম্প্রতি হোমল্যান্ড নিরাপত্তা সচিব ক্রিস্টি নোয়েম-কে সরিয়ে দেওয়ার পর গত বৃহস্পতিবার বরখাস্ত করা হয়েছে অ্যাটর্নি জেনারেল প্যাম বন্ডি-কেও। রাজনৈতিক মহলে জল্পনা, ট্রাম্পের পরবর্তী ‘টার্গেট’ হতে পারেন হোয়াইট হাউসের প্রেস সচিব ক্যারোলিন লেভিট এবং ভারতীয় বংশোদ্ভূত গোয়েন্দা প্রধান তুলসি গ্যাবার্ড। মজার বিষয় হলো, বরখাস্ত হওয়া দুই নারীর জায়গাতেই স্থলাভিষিক্ত করা হয়েছে পুরুষ কর্মকর্তাদের। সমালোচকদের প্রশ্ন, ট্রাম্প কি তবে সুপরিকল্পিতভাবে তাঁর ক্যাবিনেটকে ‘নারীশূন্য’ করার পথে হাঁটছেন?

প্রশাসনের অন্দরে এই ডামাডোল নিয়ে সরব হয়েছেন ডেমোক্র্যাট থেকে শুরু করে খোদ রিপাবলিকান ঘনিষ্ঠরাও। মার্কিন কংগ্রেস সদস্য ইয়াসামিন আনসারি সরাসরি বৈষম্যের অভিযোগ তুলে বলেছেন,“নোয়েম এবং বন্ডি—উভয়েই হয়তো অযোগ্য ছিলেন। কিন্তু কাশ প্যাটেল বা পিট হেগসেথের মতো পুরুষ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কেলেঙ্কারির দীর্ঘ তালিকা থাকা সত্ত্বেও তাঁদের কেন ছাঁটাই করা হচ্ছে না? কেবল নারীদের ক্ষেত্রেই কি সব নিয়ম প্রযোজ্য?”

একই সুর শোনা গিয়েছে অভিজ্ঞ রাজনীতিক বিল ক্রিস্টল-এর গলায়। তিনি এক্স (সাবেক টুইটার) হ্যান্ডলে লিখেছেন, “বন্ডি জঘন্য হতে পারেন, কিন্তু কাশ প্যাটেলের চেয়ে খারাপ নন। নোয়েমও হেগসেথের চেয়ে বেশি অযোগ্য ছিলেন না। তবু কেবল নারীরাই চাকরি হারাচ্ছেন!” বর্তমানে সবথেকে বেশি চর্চা হচ্ছে প্রেস সচিব ক্যারোলিন লেভিট-কে নিয়ে। জনসমক্ষে তাঁকে তিরস্কার করার পাশাপাশি ট্রাম্প ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, লেভিটকে রাখা হবে কি না তা নিয়ে তিনি ভাবছেন। অন্যদিকে, তুলসি গ্যাবার্ডের ভবিষ্যৎ নিয়েও মেঘ ঘনিয়ে আসছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *