প্রার্থী তালিকায় নাম না থাকায় ‘অসন্তুষ্ট’ অসিত মজুমদার , বড় ঘোষণা তার
কিউ ইন্ডিয়া বাংলা:- চুঁচুড়ায় এবার শাসক শিবিরের প্রার্থী দেবাংশু ভট্টাচার্য। তমলুক লোকসভায় বিজেপির অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় এর কাছে হারার পর চুঁচুড়া বিধানসভা কেন্দ্রে তাকে সুযোগ দিয়েছে দল । প্রার্থী তালিকায় নাম না থাকার কারণে অসন্তুষ্ট পরপর তিনবারের বিধায়ক অসিত মজুমদার। আক্ষেপের সুর তার গলায় । তিনি বলেন, “রাজনীতি আর করব না। আইনজীবীর ডিগ্রি আছে। বার কাউন্সিলের সার্টিফিকেটও আছে। প্রয়োজনে আবার ওকালতিতে ফিরে যাব।” যুবনেতা দেবাংশু ভট্টাচার্যকে নিয়ে বর্ষীয়ান নেতা বলেন, “দল যা ভালো বুঝেছে করেছে। দেবাংশু আমার থেকে আরও বেশি লড়াকু, দেখা যাক কী হয়।”
প্রসঙ্গত কংগ্রেস আমলে রাজনীতি শুরু করেন অসিত মজুমদার। ছাত্র রাজনীতি থেকে তার উত্থান । ছাত্র পরিষদের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন তিনি। পরবর্তীতে তৃণমূলে যোগ দেন। সিঙ্গুর আন্দোলনেও সক্রিয় ভূমিকা নেন। ২০১১ সালে প্রথমবার চুঁচুড়া থেকে তৃণমূলের প্রার্থী হন। প্রাক্তন মন্ত্রী ফরওয়ার্ড ব্লকের নরেন দে-কে হারিয়ে বিধায়ক হন। এরপর ২০১৬ ও ২০২১ সালে দুই নির্বাচনেই জয় পান তিনি। ২০২১ সালে বিজেপির প্রার্থী লকেট চট্টোপাধ্যায়কে হারান।
অসিত মজুমদার তৃনমূল কংগ্রেসের অন্যতম চর্চিত ব্যক্তিত্ব। বিরোধীদের সঙ্গে তার সংঘাত একাধিবার প্রকাশ্যে এসেছে। নিজের দলে বিতর্কের শুরু ২০২৪ লোকসভা নির্বাচনের পর থেকে । হুগলি লোকসভায় অভিনেত্রী রচনা ব্যানার্জির জেতার পর থেকে একাধিকবার তাদের দুজনের মতানৈক্যের কথা প্রকাশ্যে এসেছে। কল্যাণ বন্দোপাধ্যায় এর মধ্যস্থতায় সাংসদ রচনা – বিধায়ক অসিত এর দূরত্ব ঘোচানোর চেষ্টা হয়েছিল। প্রকাশ্য মঞ্চে হ্যান্ডশেক করানো হয়েছিল তাদের ।
প্রার্থী ঘোষণা হওয়ার পর দেবাংশু ভট্টাচার্য এর সমর্থনে দেওয়াল লিখন শুরু হয়ে গেছে। এখন দেখার ব্যাপার অভিমান ভুলে দেবাংশু র সমর্থনে বর্ষীয়ান এই নেতা প্রচারে নামেন কি না ?
