Air-Fried Food : এয়ার ফ্রায়ারে রান্না করলেই কি খাবার স্বাস্থ্যকর? জানুন চিকিৎসকের মত
কিউ ইন্ডিয়া বাংলা : বর্তমানে অনেক বাঙালির রান্নাঘরেই জায়গা করে নিয়েছে এয়ার ফ্রায়ার (Air-Fried Food) নামক আই মেশিনটি। যাতে নামমাত্র তেলে দিয়ে মুচমুচে চপ, ফ্রেঞ্চ ফ্রাই কিংবা চিকেন নাগেট তৈরি করা যায় সহজেই। তেল কম লাগে বলে অনেকেই একে স্বাস্থ্যকর রান্নার বিকল্প মনে করেন। কিন্তু চিকিৎসকদের মতে, শুধু এয়ার ফ্রায়ারে রান্না করলেই খাবার স্বাস্থ্যকর হয়ে যায় না। (Air-Fried Food) বেঙ্গালুরু নিবাসী এক চিকিৎসক আদিত্য ভি নারাগুন্ডের মতে, ‘ডিপ ফ্রাইয়ের তুলনায় এয়ার ফ্রায়ারে প্রায় ৮০ শতাংশ কম তেল ব্যবহার করা হয়। ফলে খাবারে ফ্যাট ও ক্যালোরির পরিমাণ কিছুটা কমতে পারে’। তবে খাবারের পুষ্টিগুণ নির্ভর করে মূলত কী উপকরণ ব্যবহার করা হচ্ছে এবং কীভাবে রান্না (Air-Fried Food) করা হচ্ছে তার উপর।
চিকিৎসকের কথায়, বাজার থেকে কেনা ফ্রোজেন ফ্রেঞ্চ ফ্রাই, (Air-Fried Food) চিকেন নাগেট কিংবা সসেজ এয়ার ফ্রায়ারে তৈরি করলেই তা স্বাস্থ্যকর হয়ে যায় না। কারণ, এই ধরনের প্রক্রিয়াজাত খাবারে আগে থেকেই প্রচুর সোডিয়াম, রিফাইন্ড কার্বোহাইড্রেট ও স্যাচুরেটেড ফ্যাট থাকতে পারে। নিয়মিত এই ধরনের খাবার খেলে ওজন বৃদ্ধি, মেটাবলিক সমস্যা এবং ফ্যাটি লিভারের ঝুঁকি বাড়তে পারে (Air-Fried Food)। এ ছাড়াও রয়েছে অ্যাক্রিলামাইড তৈরির আশঙ্কা। আলুর মতো স্টার্চযুক্ত খাবার অতিরিক্ত তাপমাত্রায় রান্না করলে এই রাসায়নিক যৌগ তৈরি হতে পারে। পশুদের উপর গবেষণায় এর ক্ষতিকর প্রভাব দেখা গেলেও মানুষের ক্ষেত্রে এখনও পর্যাপ্ত প্রমাণ মেলেনি। তাই খাবার অতিরিক্ত বাদামি বা পুড়িয়ে ফেলা এড়িয়ে (Air-Fried Food) চলাই ভাল।
তা হলে কী ভাবে ব্যবহার করবেন এয়ার ফ্রায়ার? (Air-Fried Food)
বিশেষজ্ঞদের মতে , এয়ার ফ্রায়ারকে রান্নার একটি বিকল্প যন্ত্র হিসেবেই দেখুন। স্বাস্থ্যকর খাবার তৈরির কোনও জাদুকাঠি হিসেবে ভাববেন না (Air-Fried Food)। এতে তাজা সব্জি, মাছ কিংবা মুরগির মাংস রান্না করে খেতেই পারেন। তবে প্যাকেটজাত প্রক্রিয়াজাত খাবার নিয়মিত খাওয়া এড়িয়ে চলায় ভালো। যাঁদের অ্যাসিড রিফ্লাক্স বা বদহজমের সমস্যা রয়েছে, তাঁদের ক্ষেত্রে ডোবা তেলে ভাজা খাবারের তুলনায় এয়ার ফ্রায়ারে তৈরি খাবার কিছুটা ভাল বিকল্প (Air-Fried Food) পদ্ধতি হতে পারে। তবে অতিরিক্ত ঝাল, মশলাদার খাবার বা বেশি পরিমাণে খাওয়া এড়ানো উচিত। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হল, রান্নার সময় অতিরিক্ত তাপমাত্রা ব্যবহার না করা এবং আলুর মতো খাবার বেশি বাদামি না করা। তাজা উপকরণ, (Air-Fried Food) পরিমিত তাপমাত্রা ও সঠিক পরিমাণে খাবার খাওয়াই সুস্থ থাকার চাবিকাঠি।
