বাংলার আয়নাআজকের দিনেতিলোত্তমাপূজা দর্পন

Jorabagan : পুলিশি নিরাপত্তা ছাড়াই সোনার গয়নায় সাজ! জোড়াবাগানে মা দুর্গার টিপ-নাকছাবি চুরি করে ধৃত ১

কিউ ইন্ডিয়া বাংলা, কলকাতা:- উত্তর কলকাতার জোড়াবাগানে দুর্গা প্রতিমার সোনার গয়না চুরির ঘটনায় চাঞ্চল্য (Jorabagan)। ঠাকুর দেখার নাম করে মণ্ডপে ঢুকে দুর্গার সোনার টিপ ও নাকছাবি হাতিয়ে পালিয়েছিল চোর। শেষ পর্যন্ত সিসিটিভি ফুটেজের সূত্র ধরে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করল জোড়াবাগান থানার পুলিশ। ঘটনাটি ঘটেছে জোড়াবাগান (Jorabagan) এলাকার গৌর লাহা স্ট্রিটের একটি বারোয়ারি পুজোয়। পুজো কমিটির পক্ষ থেকে এবার দুর্গা প্রতিমাকে সোনা ও রুপোর (Jorabagan) গয়নায় সাজানো হয়েছিল।

 

জানা গিয়েছে, চলতি বছর কলকাতার মোট ১৫টি পুজো মণ্ডপে প্রতিমাকে (Jorabagan) সোনা-রুপোর গয়নায় সাজানো হয়। সেই সব পুজো কমিটির আবেদনের ভিত্তিতে লালবাজার থেকে সশস্ত্র পুলিশ মোতায়েন করা হয় নিরাপত্তার জন্য (Jorabagan)। জোড়াবাগান অঞ্চলের একটি পুজোতেও পুলিশি নিরাপত্তা ছিল। কিন্তু গৌর লাহা স্ট্রিটের এই পুজো কমিটি পুলিশের কাছে কোনও আবেদনই জানায়নি।

 

পুলিশের অনুমান, কমিটির সদস্যরা ভেবেছিলেন নিজেরাই নিরাপত্তা দিতে পারবেন। সারাক্ষণ নজরদারি রাখবেন গয়নার উপর (Jorabagan)। কিন্তু সেই পরিকল্পনা ভেস্তে যায়। পুজো চলাকালীনই হঠাৎ দেখা যায়, প্রতিমার কপালের সোনার টিপ ও নাকছাবি উধাও। তখনই হুলস্থুল পড়ে যায় মণ্ডপে। প্রথমে সন্দেহের তির যায় পরিচিতদের দিকেও।

 

পরে (Jorabagan) পুজো কমিটির পক্ষ থেকে জোড়াবাগান থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয় এবং স্বীকার করা হয় যে, গয়না থাকা সত্ত্বেও তাঁরা পুলিশকে জানাননি। অভিযোগ পেয়ে তদন্তে নামে পুলিশ। ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশ বুঝতে পারে, এটি পেশাদার চোরের কাজ। দর্শনার্থী সেজে মণ্ডপে ঢুকে সে বুঝতে পারে গয়নাগুলি খাঁটি সোনার (Jorabagan)। তারপর থেকেই সুযোগের অপেক্ষায় ছিল। রাতে মণ্ডপ ফাঁকা হতেই প্রতিমার সামনে গিয়ে টিপ ও নাকছাবি খুলে নিয়ে মুখ ঢেকে পালিয়ে যায় অভিযুক্ত গোপাল কেলটিবিন।

 

এরপর মণ্ডপ ও আশপাশের এলাকার একাধিক (Jorabagan) সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে পুলিশ। তাতেই ধরা পড়ে অভিযুক্তের চেহারা। উত্তর কলকাতার বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালিয়ে অবশেষে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। ধৃতকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ। এর আগেও সে শহরের অন্য কোনও মন্দির বা পুজো মণ্ডপে (Jorabagan) চুরি করেছে কিনা, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। একই সঙ্গে, সোনার গয়নায় প্রতিমা সাজালে পুলিশকে আগে থেকে জানানো কতটা জরুরি, তা নিয়েও ফের প্রশ্ন উঠছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *