আজকের দিনেবিশ্ব

Emmanuel Macron : শনিবারও বিক্ষোভের আঁচে পুড়বে ফ্রান্স! অতি-বামদের বিরুদ্ধে কড়া বার্তা ম্যাক্রোঁর, মোতায়েন ৭০ হাজার পুলিশ

কিউ ইন্ডিয়া বাংলা, নিউজ ডেস্ক:- মুদ্রাস্ফীতি, জ্বালানির দামবৃদ্ধি, শিক্ষা সংস্কারের দাবিতে এক মাসেরও (Emmanuel Macron) বেশি সময় ধরে উত্তাল ফ্রান্স। গত সপ্তাহের সহিংসতার পর শনিবার ফের দেশজুড়ে বড় বিক্ষোভের ডাক। অশান্তি ঠেকাতে মাঠে নামানো হচ্ছে ৭০ হাজার পুলিশ।গত সপ্তাহান্তের বিক্ষোভ ছিল গত কয়েক বছরের মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ (Emmanuel Macron)। ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ, লুটপাটে বিপর্যস্ত হয় একাধিক শহর। সেই ঘটনাকে ‘গণতন্ত্র ধ্বংসের চেষ্টা’ বলে তোপ দেগেছেন প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ। বৃহস্পতিবারই তিনি অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে ‘সর্বোচ্চ কঠোরতা’ দেখানোর নির্দেশ দেন এবং এর পিছনে ‘অতি বাম’ গোষ্ঠীগুলোর হাত রয়েছে বলে (Emmanuel Macron) অভিযোগ করেন।

 

প্যারিসে সাংবাদিক সম্মেলনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লরেন্ট নুনেজ জানান, (Emmanuel Macron) শনিবারের জন্য ৭০ হাজার নিরাপত্তা সদস্য মোতায়েন থাকবে। তাঁর সতর্কবার্তা, সোশাল মিডিয়ায় সহিংসতা ও লুটপাটের উসকানি দেওয়া হচ্ছে। ম্যাক্রোঁর উত্তরসূরি নির্বাচনের মাস ছয়েক আগে এই বিক্ষোভ ফ্রান্সের জন্য বড় সংকট তৈরি করেছে।রিপোর্ট বলছে, আজকের এই অস্থিরতার বীজ পোঁতা হয়েছিল ২০১৬ সালে (Emmanuel Macron)। সিরিয়া, মরক্কো-সহ মধ্যপ্রাচ্য ও আফ্রিকার যুদ্ধ পরিস্থিতিতে লাখ লাখ শরণার্থী ইউরোপে ঢুকতে শুরু করে। তখন ফরাসি লিবারেল ও বামপন্থীরা ‘রিফিউজিস ওয়েলকাম’ স্লোগান তোলে। প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী হিসেবে আত্মপ্রকাশ করা ম্যাক্রোঁ শরণার্থীদের (Emmanuel Macron)‘অর্থনৈতিক ও সামাজিক শক্তি’ বলেন এবং জার্মানির উন্মুক্ত নীতির প্রশংসা করেন।

 

কিন্তু পরবর্তীতে শরণার্থীর চাপে পরিষেবা ও বাসস্থান সংকট চরমে ওঠে (Emmanuel Macron)। পরিকাঠামোয় ঘুণ ধরে, স্কুলগুলির অবস্থা খারাপ হয়, মুদ্রাস্ফীতি ও জ্বালানির দাম আকাশ ছোঁয়। সেই ক্ষোভই আজ রাস্তায় নামিয়েছে সাধারণ ফরাসিদের। একদিকে জীবনযাত্রার (Emmanuel Macron) ব্যয় নিয়ে সাধারণ মানুষের ক্ষোভ, অন্যদিকে প্রশাসনের কড়া অবস্থান। শনিবারের বিক্ষোভ কোন পথে মোড় নেয়, তার ওপরই নির্ভর করছে ফ্রান্সের আগামী রাজনৈতিক সমীকরণ (Emmanuel Macron)।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *