আজকের দিনেতিলোত্তমাবাংলার আয়না

Kolkata Police Commissioner : জঙ্গল ছেড়ে মূলস্রোতে! কলকাতা পুলিশ কমিশনারের কাছে আত্মসমর্পণ মাও দম্পতির

কিউ ইন্ডিয়া বাংলা, কলকাতা:- জঙ্গলের জীবন ছেড়ে সমাজের মূলস্রোতে ফিরলেন মাও দম্পতি (Kolkata Police Commissioner)। শুক্রবার লালবাজারে কলকাতার পুলিশ কমিশনার অজয় নন্দার কাছে আত্মসমর্পণ করলেন মঙ্গল ও মালতি। দুজনের মাথার দাম ছিল মোট ৭ লক্ষ টাকা। রাজ্য সরকারের উপর আস্থা রেখেই এই সিদ্ধান্ত বলে জানিয়েছেন তারা। (Kolkata Police Commissioner) পুলিশ সূত্রে খবর, মঙ্গল পশ্চিম মেদিনীপুরের শালবনির বাসিন্দা। অন্যদিকে মালতির বেড়ে ওঠা ঝাড়গ্রামের গোপীবল্লভপুরে। দুজনেই দীর্ঘদিন ধরে মাওবাদী গোষ্ঠীর সক্রিয় সদস্য হিসেবে কাজ করছিলেন। মঙ্গলের মাথার দাম ঘোষণা করা হয়েছিল ৫ লক্ষ টাকা, (Kolkata Police Commissioner) মালতির ২ লক্ষ টাকা।

 

তদন্তে জানা গেছে, মাও সংগঠনে যোগ দেওয়ার পর (Kolkata Police Commissioner)v প্রথমে দলমা রেঞ্জে কাজ শুরু করেন মঙ্গল। পরে তাকে সারান্ডা জঙ্গলে পাঠানো হয়। মালতিও ঝাড়গ্রামে সংগঠনের কাজ সামলে পরে সারান্ডায় মঙ্গলের সঙ্গে একই স্কোয়াডে কাজ করতেন। ২০২৬ সালের (Kolkata Police Commissioner) জানুয়ারি মাসের পর থেকে যৌথ বাহিনীর চাপে তারা ওই এলাকা ছেড়ে গা ঢাকা দেন। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের মাওবাদ মুক্ত ভারত অভিযানের জেরে ঝাড়খণ্ড ও পশ্চিমবঙ্গ সীমান্তে লাগাতার (Kolkata Police Commissioner) অভিযান চলছে। একের পর এক মাও নেতার গ্রেফতার ও এনকাউন্টারের পর কোণঠাসা হয়ে পড়ে সংগঠন। সেই পরিস্থিতিতেই আত্মসমর্পণের সিদ্ধান্ত নেন এই দম্পতি।

 

শুক্রবার সকালে লালবাজারে আত্মসমর্পণের (Kolkata Police Commissioner) সময় তাদের কাছ থেকে আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়। মঙ্গলের কাছ থেকে একটি একে-৪৭ রাইফেল ও বিপুল কার্তুজ এবং মালতির কাছ থেকে একটি অত্যাধুনিক অ্যাসল্ট রাইফেল বাজেয়াপ্ত করেছে পুলিশ। (Kolkata Police Commissioner) আত্মসমর্পণের পর মঙ্গল বলেন, “বাংলার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর উপর আমাদের পূর্ণ আস্থা রয়েছে। রাজ্য সরকারের প্রতি ভরসা রেখেই স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে চাই।” পুলিশ কমিশনার অজয় নন্দা জানান, ঝাড়খণ্ডে মঙ্গলের বিরুদ্ধে ৬ থেকে ৭টি গুরুতর মামলা রয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া মেনেই তাদের পুনর্বাসনের (Kolkata Police Commissioner) ব্যবস্থা করা হবে।

 

এর আগে গত জুন মাসে লালবাজারে (Kolkata Police Commissioner) আত্মসমর্পণ করেন আরেক মাওবাদী নেত্রী পুষ্পা ওরফে শকুন্তলা। ২০০১ সালে ঝাড়গ্রামের বেলপাহাড়ি থানার মেছুয়া গ্রামের মেয়ে শকুন্তলা মাও স্কোয়াডে যোগ দেন। সংগঠনে পরি, বর্ষা, পুষ্পা এই তিন নামে পরিচিত হলেও গ্রামে তিনি ‘লুটুন’ নামেই পরিচিত ছিলেন (Kolkata Police Commissioner)। ২০১২ সালের পর সিপিআই (মাওবাদী)-র বঙ্গ ব্রিগেড ঝাড়খণ্ডে গা ঢাকা দেয়। সেখানেও যৌথ বাহিনীর চাপে শেষ পর্যন্ত হিংসার পথ ছেড়ে মূলস্রোতে ফেরেন তিনি। মাওবাদী দমনে এটি রাজ্য পুলিশের কাছে বড় সাফল্য হিসেবেই দেখা হচ্ছে (Kolkata Police Commissioner)। পুলিশ কমিশনারের দাবি, এই ধরনের আত্মসমর্পণ চলতে থাকলে খুব শীঘ্রই বাংলা সম্পূর্ণ মাওবাদ মুক্ত হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *