Chorbagan : সপ্তমীর বিভীষিকার পর শনিবার নিরঞ্জন, তবে খোলা হচ্ছে না চোরবাগানের মণ্ডপ
কিউ ইন্ডিয়া বাংলা, কলকাতা:- সপ্তমীতে চোরবাগান পুজো মণ্ডপের এক্সিট গেটে পদপিষ্ট (Chorbagan) হয়ে ১৯ জনের মৃত্যু এখনও আতঙ্কের স্মৃতি। সেই মর্মান্তিক দুর্ঘটনার তদন্তে দুটি পৃথক সিট গঠন করা হয়েছে। দশমী পেরিয়ে গেলেও প্রতিমা নিরঞ্জন নিয়ে ছিল ধোঁয়াশা। বৃহস্পতিবার মণ্ডপ পরিদর্শন করে সিটের প্রধান অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি (Chorbagan) অনিন্দিতা রায় সরস্বতী জানান, প্রতিমা নিরঞ্জনে আপত্তি নেই, তবে মণ্ডপ হুবহু একই রাখতে হবে। সেই নির্দেশ মেনেই শনিবার নিমতলা ঘাটে নিরঞ্জনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে (Chorbagan) পুজো কমিটি।
বৃহস্পতিবার চোরবাগানের মণ্ডপ সরেজমিনে খতিয়ে (Chorbagan) দেখেন সিটের প্রধান। পরিদর্শন শেষে তিনি বলেন, “মণ্ডপে ঢোকা ও বেরনোর রাস্তা খুবই সরু ছিল। আলোও কম ছিল। দুর্ঘটনার সময় (Chorbagan) এমারজেন্সি এক্সিট বন্ধ ছিল বলে পুলিশ জানিয়েছে। পুলিশ যথাযথ কাজ করেছে বলেই মনে হচ্ছে। দুর্ঘটনার সময় যেমন আলো ছিল, সেই আলোতেই আমরা গোটা মণ্ডপ ঘুরে দেখলাম। (Chorbagan) ব্যবস্থাপনা হতাশাজনক।”
ফরেনসিক রিপোর্টে উঠে এসেছে (Chorbagan) চাঞ্চল্যকর তথ্য। বিশেষজ্ঞদের দাবি, মণ্ডপ ফাঁকা থাকলে ১৩৪ টনের এসি যথেষ্ট ছিল। কিন্তু সপ্তমীতে বিপুল ভিড়ের চাপে ভেন্টিলেশন ব্যবস্থা ভেঙে পড়ে। এসি পর্যাপ্ত ছিল না, ফলে ভিতরে দমবন্ধ (Chorbagan) পরিস্থিতি তৈরি হয়। সেই সময় একসঙ্গে বহু দর্শনার্থী তাড়াহুড়ো করে বেরনোর চেষ্টা করলে পদপিষ্টের ঘটনা ঘটে। ময়নাতদন্তের প্রাথমিক রিপোর্টেও শ্বাসরোধ (Chorbagan) হয়ে মৃত্যুর কথা বলা হয়েছে।
তদন্তে আরও জানা গেছে, দুর্ঘটনার আগে (Chorbagan) মাইকে বিভ্রান্তিকর ঘোষণা করা হয়েছিল। সিটের প্রধান জানিয়েছেন, যাঁর ঘোষণার জেরে এই পরিস্থিতি, তাঁকে তদন্তের আওতায় রাখা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই মণ্ডপের দুই ঘোষককে আটক করা হয়েছে (Chorbagan)। দুটি সিট আলাদাভাবে ঘটনার তদন্ত করছে। সিটের নির্দেশ মেনে শনিবার প্রতিমা নিরঞ্জন হলেও তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত বিতর্কিত মণ্ডপ খোলা হচ্ছে না। তদন্তের স্বার্থে মণ্ডপকে হুবহু একই অবস্থায় রাখার নির্দেশ দেওয়া (Chorbagan) হয়েছে।
