Lionel Messi: আবার কলকাতায় মেসি! শতদ্রুর হাত ধরেই বিশ্বকাপের পর বল পায়ে নামার জোরালো সম্ভাবনা
কিউ ইন্ডিয়া বাংলা, নিউজ ডেস্ক:– আবার তিলোত্তমায় আসতে পারেন লিয়োনেল মেসি। শুধু ঘুরতে নয়, এ বার বল পায়ে মাঠ মাতানোর সম্ভাবনা। শতদ্রু দত্তের উদ্যোগেই ফের মেসিকে কলকাতায় আনার তোড়জোড়। ভারতের পাশাপাশি বাংলাদেশেও যেতে পারেন আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক।
সূত্রের খবর, ২০২৬ বিশ্বকাপের পর ইন্টার মায়ামির প্রাক্-মরসুম প্রস্তুতির অংশ হিসেবে ভারত ও বাংলাদেশ সফরে আসতে পারে মেসির দল। সেই সফরের আয়োজন নিয়েই শতদ্রু দত্ত ইতিমধ্যেই আমেরিকায় পৌঁছে গিয়েছেন। সেখানে মেসির টিমের সঙ্গে তাঁর কয়েক দফা বৈঠক হয়েছে। দু’পক্ষের মধ্যে আলোচনা ইতিবাচক দিকেই এগিয়েছে। বিশ্বকাপের পর চুক্তি চূড়ান্ত হলে দিনক্ষণ ঘোষণা করা হবে বলে খবর।
এটা মেসির তৃতীয়বার কলকাতায় আসা হতে পারে। ২০১১ সালের পর ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে দ্বিতীয়বার শহরে পা রেখেছিলেন এলএম টেন। সেবার শুধু সৌজন্য সফর ছিল। হায়দরাবাদ, মুম্বই, দিল্লি, বনতারা ঘুরলেও কলকাতেই সবচেয়ে বেশি বিতর্ক হয়। যুবভারতীতে নিরাপত্তা ভেঙে বহু মানুষ মাঠে ঢুকে পড়েন। ধাক্কাধাক্কিতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। বিরক্ত মেসি দ্রুত স্টেডিয়াম ছেড়ে বেরিয়ে যান। গ্যালারিতে থাকা দর্শকেরাও তাঁকে ঠিকমতো দেখতে পাননি। এরপর ক্ষুব্ধ ফুটবলপ্রেমীদের একাংশ স্টেডিয়ামে ভাঙচুর চালান। সেই ঘটনার জেরে ইস্তফা দিতে বাধ্য হন তৎকালীন ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, গত বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের হারের পিছনেও এই ঘটনার প্রভাব ছিল।
দেশের বাকি শহরগুলিতে অবশ্য সুষ্ঠুভাবেই সফর সেরেছিলেন মেসি। দিল্লির অনুষ্ঠানে তিনি আবার ভারতে আসার ইচ্ছাও প্রকাশ করেন। সেই আক্ষেপ মেটাতেই এবার মেসিকে দিয়ে কলকাতায় ম্যাচ খেলানোর পরিকল্পনা। ২০১ সালের মতো এ বারও প্রদর্শনী ম্যাচের প্রস্তাব রয়েছে। অর্থাৎ ফের যুবভারতীতে বল পায়ে মেসিকে দেখার সুযোগ পেতে পারেন বাংলার ফুটবলপ্রেমীরা।
তবে ইন্টার মায়ামির প্রাক্-মরসুম প্রস্তুতি কবে থেকে শুরু হবে তা এখনও ঠিক হয়নি। ফলে মেসির ভারত-বাংলাদেশ সফরের দিন এখনই চূড়ান্ত হওয়া সম্ভব নয়। শতদ্রুর তরফে বলা হয়েছে, দু’পক্ষের মধ্যে সদর্থক আলোচনা হয়েছে। ফলে ভালো কিছু হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল।
সরকারিভাবে এখনও কিছু ঘোষণা হয়নি। তবে শতদ্রুর উদ্যোগে ফের মেসির কলকাতা সফরের সম্ভাবনা জোরালো হয়েছে। বিশ্বকাপের পর চুক্তি সই হলে ২০২৩ সালের তিক্ত অভিজ্ঞতা ভুলে বাংলার ফুটবলপ্রেমীরা আবার সরাসরি মাঠে “এলএম টেন”-এর জাদু দেখার সুযোগ পেতে পারেন।
