অভিষেকের সঙ্গে যৌথ ফ্ল্যাট বিতর্কে মুখ খুললেন সায়নী
অভিষেকের সঙ্গে যৌথ ফ্ল্যাট বিতর্কে মুখ খুললেন সায়নী
কিউ ইন্ডিয়া বাংলা:-গত কয়েকদিন ধরে চর্চায় তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সম্পত্তি। বেআইনি নির্মাণের অভিযোগে নোটিস পেয়েছেন তিনি। এর মধ্যেই সামনে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য। একাধিক সংবাদ মাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, কলকাতার ১৯ডি সেভেন ট্যাঙ্ক রোডে যাদবপুরের সাংসদ সায়নী ঘোষের সঙ্গে যৌথ মালিকানায় ফ্ল্যাট রয়েছে অভিষেকের। বিতর্ক তুঙ্গে উঠতেই বুধবার সকালে সোশাল মিডিয়ায় মুখ খুললেন সায়নী।
রাজ্যে পালাবদলের পরই মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেছিলেন, কোনওরকম দুর্নীতি বরদাস্ত করা হবে না। সেই মতো পদক্ষেপও করেছে প্রশাসন। বর্তমানে কলকাতা পুরসভার স্ক্যানারে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ১৭টি সম্পত্তি। সেই তালিকাতেই রয়েছে ১৯ডি সেভেন ট্যাঙ্ক রোডের একটি ফ্ল্যাট। জানা যাচ্ছে, সেটি যৌথ মালিকানার। অভিষেকের পাশাপাশি তাতে নাম রয়েছে জনৈক সায়নী ঘোষের। গুঞ্জন, এই সায়নী নাকি যাদবপুরের তৃণমূল সাংসদ। স্বাভাবিকভাবেই ঠিক কী কারণে তাঁদের যৌথ সম্পত্তি, তা নিয়েও কানাঘুষো শুরু হয়েছে। এসবের মাঝে বুধবার সকালে সোশাল মিডিয়ায় এবিষয়ে মুখ খুললেন সায়নী। তিনি লেখেন, ‘কয়েক জায়গায় দেখলাম, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও সায়নী ঘোষ যৌথভাবে ১৯ ডি-সেভেন ট্যাঙ্ক রোড, কলকাতা ৭০০৩০ ঠিকানার একটি সম্পত্তির মালিক। কিন্তু সেখানে যোগাযোগের জন্য কোনও নম্বর নেই। আমি বলতে পারছি না ইনি কে। কিন্তু নিশ্চিতভাবেই সেই সায়নী ঘোষ নন, যিনি সাধারণ পরিবার থেকে উঠে এসেছেন। রাজনীতি থেকে আজ পর্যন্ত কোনও অপ্রত্যাশিত লাভ করেননি। মানুষ আমাকে আশীর্বাদ করেছে এবং আমি কৃতজ্ঞ।’ সেখানেই তিনি আরও লেখেন, ‘আমি আমার ভোটারদের জানাতে চাই, আমার নির্বাচনী হলফনামায় আমার সম্পত্তির বিবরণ দেওয়া আছে। যারা কোনও প্রমাণ ছাড়াই আমাকে বদনাম করার চেষ্টা করছেন, এখনই থামুন!’
হুঁশিয়ারি দিয়ে সায়নী বলেন, ‘আমি এক ছাড়ব না। ভুয়ো খবর ছড়ানোর জন্য আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এই ‘ঘোষ’কে ভয় দেখানো যাবে না। আমি কবিগুরুর দেশের মানুষ।’ অভিষেকের সম্পত্তি নিয়ে পুরসভার নোটিসের পর এই যৌথ মালিকানা বিতর্ক নতুন মাত্রা যোগ করল। যদিও সায়নী স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, ওই সম্পত্তির সঙ্গে তাঁর কোনও সম্পর্ক নেই।
