মন্ত্রিসভা সম্প্রসারণে দিল্লিতে দফায় দফায় বৈঠক শমীকের
কিউ ইন্ডিয়া বাংলা :- রাজ্যের নতুন বিজেপি সরকারের মন্ত্রিসভা সম্প্রসারণ নিয়ে জল্পনার মধ্যেই দিল্লিতে একাধিক বৈঠক সারলেন রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। একইসঙ্গে রাজ্যে শিল্পায়ন ও বিনিয়োগ টানতে তৎপরতা শুরু করেছে শুভেন্দু অধিকারীর সরকার। পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রিসভা গঠন হলেই শিল্প প্রকল্পে গতি আসবে বলে দাবি গেরুয়া শিবিরের।
সূত্রের খবর, বুধবার গভীর রাত পর্যন্ত বাংলার দায়িত্বপ্রাপ্ত কেন্দ্রীয় নেতা সুনীল বনসলের সঙ্গে দীর্ঘ বৈঠক করেন শমীক। আরএসএস নেতৃত্বের সঙ্গেও গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালেও দিল্লিতে একাধিক কেন্দ্রীয় নেতার সঙ্গে কথা হয়েছে তাঁর। রাজনৈতিক মহলের ব্যাখ্যা, ক্ষমতার ভারসাম্য, আঞ্চলিক সমীকরণ ও সংগঠনের বিশ্বস্ত মুখদের জায়গা দেওয়া—এই তিন বিষয়কে অগ্রাধিকার দিচ্ছে বিজেপি। শুক্রবারই কলকাতায় আসছেন সুনীল বনসল। সূত্রের দাবি, কলকাতার বৈঠকেই মন্ত্রিসভার বাকি সদস্যদের নাম প্রায় চূড়ান্ত হবে। সম্ভাব্য তালিকায় সর্বাধিক ৩০ জনের নাম থাকতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ দপ্তর কে পাচ্ছেন, কার রাজনৈতিক গুরুত্ব বাড়ছে, শেষ মুহূর্তে কে বাদ পড়তে পারেন—তা নিয়ে চর্চা তুঙ্গে দলের অন্দরে। অন্যদিকে, উৎপাদন ও ভারী শিল্পে বিনিয়োগ নিয়ে শিল্পপতি ও ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আলোচনা শুরু করেছে রাজ্য নেতৃত্ব। নতুন জমিনীতি আনার প্রস্তুতিও চলছে। এ প্রসঙ্গে শমীক ভট্টাচার্য বলেন, শিল্পের পরিবেশ তৈরিতে সন্ত্রাস ও রাজনৈতিক হিংসামুক্ত পরিস্থিতি জরুরি। তাঁর দাবি, “রাজ্যে এখন আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, বিনিয়োগের অনুকূল পরিবেশ তৈরি হচ্ছে।” রাজ্যের উন্নয়ন, কর্মসংস্থান বাড়ানো এবং ভিনরাজ্যে যাওয়া মেধাবীদের ফিরিয়ে আনাই সরকারের লক্ষ্য বলে জানান তিনি।
দিল্লি ও কলকাতার টানা সমন্বয়ে দ্রুত পূর্ণাঙ্গ সরকার গঠনের পথে হাঁটছে বিজেপি। পাশাপাশি, জুন মাসে সরকারি উদ্যোগে পশ্চিমবঙ্গ প্রতিষ্ঠা দিবস পালনের কথাও ঘোষণা করেছে দল। মন্ত্রিসভা সম্প্রসারণ ও শিল্পনীতির রূপায়ণ—দুই ক্ষেত্রেই এখন নজর শুভেন্দু অধিকারীর সরকারের।
