মুখে মাস্ক, মাথায় টুপি, জিন্স টপে কলকাতা বিমানবন্দরে সায়নী ঘোষ, সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তর দিলেন না নেত্রী
কিউ ইন্ডিয়া বাংলা,কলকাতা:- পরনে নীল পাড় সাদা শাড়ি নেই। নেই পায়ে হাওয়াই চপ্পল। তার বদলে অনেকটাই অন্য রূপে ক্যামেরায় ধরা দিলেন দিলেন তৃণমূল সাংসদ সায়নী ঘোষ। দমদম বিমানবন্দরে জিন্স আর টপ আর মুখে মাস্কে ঢেকে ফোনে কথা বলতে বলতে গটগট করে হেঁটে বেরিয়ে যেতে দেখা গেল সায়নীকে। তিনি কোন শিবিরে তা নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের কোনও উত্তর দেননি তিনি।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেকের ঘনিষ্ঠ নেতারা আজ বিদ্রোহী শিবিরে। তৃণমূলের নয়া কমিটিতে নাম রয়েছে যুবসভানেত্রীর দায়িত্ব পাওয়া সায়নী ঘোষও! তিনি নাকি সই করেছেন বলে খবর। এই টালমাটাল পরিস্থিতিতে সায়নীকে প্রায় একদমই দেখা যায়নি। জনসমক্ষে উধাও। সেই কারণেই হোয়াটসঅ্যাপে তাঁর অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন তোলেন নেতারা। এই পরিস্থিতিতে বৃহস্পতিবার কলকাতা ফিরলেন সায়নী ঘোষ।
গত ৪ মে ভোটের রেজালয় বের হওয়ার পর থেকেই হম্বিতম্বি সব উধাও তৃণমূল নেতা কর্মীদের। পরিষদীয় ও সংসদীয় দলের বাঁধন আলগা হয়েছে তৃণমূল সুপ্রিমোর কাছ থেকে। পরিষদীয় দলের রাশ ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাতে যেতেই দলের যাবতীয় কমিটি ভেঙে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো। পরবর্তীতে যে কমিটি ঘোষণা করা হয়, সেখানে তৃণমূলের যুব সভানেত্রীর পদ দেওয়া হয়েছিল সায়নীকে। ঘাসফুল শিবিরে এই ভাঙনের সময় অভিষেক ঘনিষ্ঠ সায়নীয়কে ভরসা করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্ত দেখা মেলেনি তার। পরবর্তীতে শোনা যায়, বিদ্রোহী সাংসদদের তালিকায় রয়েছে তারও নাম। লোকসভা স্পিকারকে যে চিঠি দেওয়ার কথা প্রকাশ্যে এসেছে, সেখানে নাকি সায়নীও সই করেছেন। তবে গোটা ঘটনা নিয়ে কার্যত মুখে কুলুপ এঁটেছেন সায়নী। এই মুহূর্তে সায়নী নব্য তৃণমূলে নাকি আদি শিবিরে সেই নিয়ে ধন্দে দলের কর্মীরা। সকলের দাবি, সায়নী নিজের অবস্থান স্পষ্ট করুন। তিনি তৃণমূলে সঙ্গে থাকলে সেটিও জানান। বিদ্রোহী শিবিরে গেলে সেটাও বলুন। এরই মাঝে বৃহস্পতিবার দুপুরে কলকাতা বিমানবন্দরে বেরতে দেখা গেল সায়নী ঘোষকে।
