আজকের দিনেভারতযেদিকে দু-চোখ যায়

Neelakurinji Flowers : চলুন ঘুরে আসি নীলকুরিঞ্জি ফুলের দেশ মুন্নার থেকে

কিউ ইন্ডিয়া বাংলা : বাঙালি মানেই ভ্রমণ পিপাসু। বাঙালি খেতে যেমন ভালবাসে তেমনি ঘুরতে যেতেও ভালো বাসে (Neelakurinji Flowers)। কেউ যদি প্রকৃতির কোলে একটু শান্ত স্নিগ্ধ নিরিবিল্লি সময় কাটানোর জন্য এই স্থানটি খুবই সুন্দর। এ এক এমন উপত্যকা যেটা দেখলে মনে হবে যেন নীল চাদরে (Neelakurinji Flowers)মুড়ে রেখেছে পুরোটা জায়গা। এই অপরূপ দৃশ্য দেখতে বহু দূর দূর থেকে ছুটে আসে মানুষ(Neelakurinji Flowers)। শোনা যায় এই দৃশ্যের নাকি দেখা মিলে ১২ বছর ছাড়া ছাড়া। কিন্তু এই বার যেন কিছুটা ব্যতিক্রম হয়ে গেল। ৮ বছরেই নাকি দেখা গেল এই দৃশ্য। পাহাড়ি এলাকা মুন্নারের পাহাড়ি ঢালে ফোটে এক অপরূপ সুন্দর দুর্লভ নীলকুরিঞ্জি(Neelakurinji Flowers)। যার শোভায় সুসজ্জিত পশ্চিমঘাট এলাকা।

 

এই ফুলের রং হয় ঘন নীল। যার কারণে(Neelakurinji Flowers) এই পর্বতের নাম নীলগিরি বা নীল পাহাড়। জানা যায়, এই ফুল(Neelakurinji Flowers) শেষবার ফুটেছিল ২০১৮ সালে। ফুলপ্রেমীদের ক্যালেন্ডারে লেখা ছিল যে ফুল পুনরায়(Neelakurinji Flowers) ফুটবে ২০৩০ সালে। কিন্তু এই বারে তার তথ্য ভেঙ্গে দিয়েছে। আবার জানা যাচ্ছে মুন্নারের যে অংশে এই ফুল ফুটেছে, সেই অংশে ২০১২ সালে ফুল ফুটেছিল। সেই হিসাবে এই ১২ বছর হসাব করলে এই বছরই ফুল ফোটার ছিল, আর যেটা হয়েছে। প্রায় ৩ হেক্টর জায়গা জুড়ে ফোটে এই ফুল এবং এই ফুল স্থায়ী (Neelakurinji Flowers)হয় মোটামুটি মাস তিনেক।

 

এবার চলুন দেখে নিই কিভাবে যাবেন এবং কোথায় থাকবেন, (Neelakurinji Flowers)এই সুন্দর অপরূপ দৃশ্য উপভোগ করতে। মুন্নার সাধারণত তিন পথেই যাওয়া যায়। রেলপথ, সড়কপথ এবং আকাশপথ এও যাওয়া যায় এই জায়গায়। কোচি বিমানবন্দর থেকে মুন্নার যাওয়া যায় খুব (Neelakurinji Flowers)কম সময়ে, যার দূরত্ব প্রায় ১১৫ কিলোমিটার। এরনাকুলম রেলস্টশন থেকে মুন্নারের দূরত্ব প্রায় ১২৫-১৩০ কিলোমিটার। এছাড়াও সড়কপথে মুন্নার যাওয়া যায়, পৌঁছোতে ৪ থেকে সাড়ে ৪ ঘণ্টা সময় লাগবে। অখানে পৌঁছে বিভিন্ন মানের (Neelakurinji Flowers)হোটেল মিলে। এছাড়াও পাওয়া যাবে বিভিন্ন হোম স্টে।

 

ভ্রমণের আসল কেন্দ্র বিন্দু মুন্নার। এখানকার সমস্ত এলাকা ঘোরার জন্য (Neelakurinji Flowers)দুটো দিন রাখতেই হবে। মুন্নার শহর থেকে গাড়ি ভাড়া করে শহরের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে আসা যায়। চাইলে বিভিন্ন জায়গা সমন্ধে জানতে বা পরিচয় করতে স্থানীয় একজনকে বা ট্যুর গাইডের সাহায্য নিতে পারেন। প্রথম দিনে গাড়ি ভাড়া করে মাট্টুপ্পেট্টি, চোক্রমুডি এলাকাগুলি অল্প দূরত্বের জায়গা গুলি যেতে পারেন। মুন্নার থেকে মাট্টুপ্পেট্টি (Neelakurinji Flowers)যাওয়ার পথে কোরনদকডে ফুল দেখার সুযোগ পাওয়া যাবে। এখানে প্রবেশ মূল্য হিসাবে দিতে হবে প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য ২৫০ টাকা, ১৮ বছরের কম বয়সিদের জন্য ১০০ টাকা। ৫ বছরের নীচে শিশুদের জন্য বিনামূল্যে। ফুলের সৌন্দর্যতা বজায় রাখার জন্য ফুল গাছে হাত দেওয়া বা ফুল ছেড়া দন্ডনীয় অপরাধ। এছাড়াও এই এলাকায় ফেলা যাবেনা কোনো প্লাস্টিক জাতীয় আবর্জনা। মাট্টুপ্পেট্টির দিকেই পড়বে নীলকুরিঞ্জি ফুলের বাগান। তাই সেখানে যাওয়ার (Neelakurinji Flowers)সময় মাট্টুপ্পেট্টির টলটলে পান্না-সবুজ জলে ওপর দিয়ে নৌকায় করে ভেসে চলুন। এর পর ইকো পয়েন্ট দেখে চলে আসুন কুন্ডলা লেক। পৌঁছে যান দিগন্তবিস্তৃত পশ্চিমঘাট পাহাড় এলাকায়। এখানে আসে দেখুন মেঘ কুয়াশার এক সুন্দর খেলা। এখন (Neelakurinji Flowers)থেকে কিছুটা দূরে পড়বে আট্টুকাল জলপ্রপাত। এখন থেকে বেরিয়ে পোথোমেডু ভিউ পয়েন্টে দেখে চলে আসুন হোটেলে।

 

এবার দ্বিতীয় দিনে ঘুরে নিন এরাভিকুলাম জাতীয় উদ্যান বা রাজামালাই(Neelakurinji Flowers)। এই স্থান নীলগিরি থার নামে একপ্রকার পাহাড়ি ছাগলের বাসস্থান, এখানেই শুধু মাত্র এই প্রজাতির ছাগল দেখতে পাওয়া যায়। এই অরণ্যটি ফেব্রুয়ারি-মার্চ ছাড়া সারা বছরই খোলা থাকে সকাল ৮টা (Neelakurinji Flowers)থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত। এই স্থান থেকে বেরিয়ে জেতে পারেন মরয়ুর, লাক্কোম(Neelakurinji Flowers) জলপ্রপাত এছাড়াও বিভিন্ন ছোট ছোট ঘোরার জায়গায়। সবশেষে মরয়ুরে রাত্রিবাসের পরিকল্পনাও রাখতে পারেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *