Donald Trump : নিজের স্বার্থে যুদ্ধবিরতি? রাশিয়া-ইউক্রেন এনার্জি সিজফায়ারের দাবি ট্রাম্পের, নীরব মস্কো-কিভ
কিউ ইন্ডিয়া বাংলা, নিউজ ডেস্ক:- রাশিয়া-ইউক্রেন সংঘর্ষে এনার্জি সিজফায়ার হয়েছে বলে দাবি করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)। ট্রুথ সোশ্যালে তিনি জানান, দুই দেশ একে অপরের তৈল শোধনাগার ও শক্তি উৎপাদন কেন্দ্রে হামলা বন্ধে রাজি হয়েছে। যদিও এই দাবি নিয়ে এখনও পর্যন্ত মুখ খোলেনি রাশিয়া বা ইউক্রেন কোনও পক্ষই (Donald Trump)। গত কয়েক মাস ধরে রাশিয়া ও ইউক্রেন একে অপরের জ্বালানি পরিকাঠামোকে নিশানা করছে। ইউক্রেন লাগাতার ড্রোন হামলা চালাচ্ছে রাশিয়ার তৈল শোধনাগারগুলিতে, পাল্টা রাশিয়া ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালাচ্ছে ইউক্রেনের বিদ্যুৎ কেন্দ্র ও গ্রিডে। (Donald Trump) এর সরাসরি প্রভাব পড়েছে বিশ্ববাজারে।
শনিবার হোয়াইট হাউসের বাইরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি (Donald Trump) হয়ে ট্রাম্প বলেন, তিনি বহুবার ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কিকে সতর্ক করেছিলেন। তাঁর বক্তব্য ছিল, রুশ শোধনাগারে হামলা বন্ধ না হলে বিশ্ববাজারে ডিজেলের (Donald Trump)সংকট আরও বাড়বে। কিন্তু জেলেনস্কি তাঁর কথা শোনেননি। শনিবার পর্যন্তও ইউক্রেন হামলা চালিয়ে গিয়েছে বলে অভিযোগ করেন ট্রাম্প। এতে এতটাই বিরক্ত হন তিনি যে ইউক্রেনে নেতৃত্ব পরিবর্তনের ইচ্ছাও প্রকাশ (Donald Trump) করেন।
এর মধ্যেই শুক্রবার বড় ঘোষণা করেন ট্রাম্প। জানান, রাশিয়া (Donald Trump) আপাতত ৩ লক্ষ টন ডিজেল আমেরিকা ও বিশ্ববাজারে সরবরাহ করবে, নভেম্বরে আরও ৫ লক্ষ টন দেবে। বিনিময়ে রুশ ডিজেলের উপর থাকা নিষেধাজ্ঞা শিথিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ওয়াশিংটন। এই সিদ্ধান্তে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন জেলেনস্কি। তাঁর মতে, এই চুক্তি পুতিনকে আর্থিকভাবে শক্তিশালী করবে এবং যুদ্ধ দীর্ঘায়িত (Donald Trump) করবে।সবচেয়ে বড় বিতর্ক তৈরি হয়েছে ভারতকে নিয়ে। রুশ তেল কেনার ‘অপরাধে’ ভারতের উপর অতিরিক্ত শুল্ক চাপাতে আইন পাশ করেছে ট্রাম্প প্রশাসন। অথচ আমেরিকায় ডিজেলের দাম বাড়তেই নিজেই রাশিয়া থেকে ডিজেল কিনছেন ট্রাম্প (Donald Trump)। এই দ্বিচারিতা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।
শেষ পর্যন্ত ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্প লেখেন, ‘রাশিয়া এবং ইউক্রেনের মধ্যে এনার্জি সিজফায়ার (Donald Trump) হয়েছে। এই মুহূর্ত থেকেই তা কার্যকর। সংঘর্ষবিরতি লঙ্ঘন কোরো না যেন।’ কিন্তু তাঁর এই দাবির পর কেটে গিয়েছে ঘণ্টার পর ঘণ্টা, মস্কো বা কিভের তরফে কোনও সরকারি বিবৃতি আসেনি। ট্রাম্পের ঘোষিত এনার্জি সিজফায়ার কি আদৌ বাস্তবে কার্যকর হবে, (Donald Trump) নাকি আমেরিকার বাজারে ডিজেলের দাম সামাল দিতে এটি তাঁর কৌশলী পদক্ষেপ, তা নিয়ে ধোঁয়াশা থেকেই যাচ্ছে। দুই দেশের নীরবতাই সেই সংশয় আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে।
