টব বা মাটির ঝামেলা প্রয়োজন নেই, জলেই বাড়বে এই গাছ
কিউ ইন্ডিয়া বাংলা,কলকাতা:- বড় জায়গা, বাগান সেই সব এখন লুপ্তপ্রায়। বেশীরভাগই দু’ কামরার ফ্ল্যাট, সেখানে আবার গাছের মাটিতে সার দেওয়া, নিয়মিত জল দেওয়া অনেক সময় ঝক্কির হয়ে দাঁড়ায়।কিন্তু শহরের বুকের সেই ফ্ল্যাট বাড়িতে বাগানের শখ থাকলে ভরসা একচিলতে ব্যালকনি।অনেকের আবার আক্ষেপ, রোদের অভাবে তেমন গাছ বসানো সম্ভব নয়। কেউ কেউ আবার মাটির ফলে অপরিষ্কার হতে পারে ব্যালকনি সেই নিয়েও চিন্তায় পরেন।
এমন কিছু গাছ লাগান যার জন্য জলই যথেষ্ট।জেনে নিন কোন কোন গাছ রয়েছে সেই তালিকায়।
অ্যারোহেড প্ল্যান্ট বা সিঙ্গোনিয়াম:- ইন্ডোর প্ল্যাট হিসাবে এই গাছ অত্যন্ত আকর্ষণীয়। পাতার রং ফেড সবুজ, সাদা এবং গোলাপি রঙের হয়। এই গাছগুলি বেশিরভাগ গৃহস্থের পছন্দের। উজ্জ্বল কিন্তু পরোক্ষ আলোয় বেড়ে ওঠে গাছগুলি। সরাসরি কড়া রোদে ভুলেও রাখবেন না। সাধারণত আর্দ্র পরিবেশই পছন্দ গাছটির।
চাইনিজ এভারগ্রিন:- জনপ্রিয় এবং সহজলভ্য এই ইন্ডোর প্ল্যান্টটি। বড় ও ডিম্বাকার পাতার এই গাছগুলির পাতা সাদা, গোলাপির মিশেলে অতি সুন্দর। সঠিক যত্নে প্রায় ১০ বছরের বেশি সময় বাঁচে গাছটি। সরাসরি সূর্যালোকে এই গাছটি ভুলেও রাখবেন না। বেশি উষ্ণতাতেও গাছটির ক্ষতি হতে পারে। মূলত আর্দ্র জায়গায় গাছটি রাখা প্রয়োজন। বাড়িতে পোষ্য থাকলে এই গাছটি না রাখাই ভালো।
ড্রাগন ট্রি:- সরু সবুজ পাতা। মাঝে সাদা রঙের একটি লম্বা লাইন। বাহারি পাতার ড্রাগন ট্রি অনেকের পছন্দের তালিকার একেবারে শীর্ষে থাকে। এই গাছটি বসানোর ক্ষেত্রে মাটির কোনও প্রয়োজনীয়তা নেই। একটি কাচের পাত্রে জল ও পাথর দিয়ে রাখতে পারেন। তবে দু’মাস অন্তর জল পরিবর্তন করুন। ভুলেও প্রখর রোদে রাখবেন না।
ইঞ্চ প্যান্ট:- অত্যন্ত রঙিন এই গাছের পাতাগুলো। দূর থেকে খুব আকর্ষনীয়।এই গাছটিও বাড়ির ভিতরে রাখতে পারেন। ভুল করেও বাইরে রাখবেন না। কিছুটা শাখা কেটে জলের ভিতরে ঢুকিয়ে রাখলে শিকড় বেরতে পারে। বেশি পরিচর্যারও প্রয়োজন পড়ে না।
সুইস চাইনিজ ভাইন:- একটি ডালই যথেষ্ঠ। জলে কিছুদিন ডুবিয়ে রাখলে এই গাছ থেকে নতুন পাতা গজাতে শুরু করবে। তবে ভুল করেও বেশি নাড়াচাড়া করবেন না সেই সময়। পাতা হলুদ হয়ে যাচ্ছে কিনা, সেদিকে খেয়াল রাখুন। সপ্তাহে কমপক্ষে একবার জল বদলাতে ভুলবেন না। তাতে গাছের ক্ষতি হতে পারে।
