Mukesh Khanna : ‘বাড়িতে ককরোচ ঢুকলে নির্মূল করা উচিত’, দিল্লি পুলিশকে বাহবা দিয়ে ‘আরশোলা’দের কটাক্ষ ‘শক্তিমান’ মুকেশের
কিউ ইন্ডিয়া বাংলা, নিউজ ডেস্ক:- দিল্লিতে সিজেপির বিক্ষোভের রেশ কাটতে না কাটতেই বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন ‘শক্তিমান’ খ্যাত অভিনেতা মুকেশ খান্না (Mukesh Khanna)। দিল্লি পুলিশের পদক্ষেপের প্রশংসা করে তিনি বলেন, বাড়িতে ককরোচ ঢুকলে যেমন নির্মূল করা উচিত, পুলিশ ঠিক তেমনই কাজ করেছে। গত শনিবার, ১০ অক্টোবর, রাজধানী দিল্লির DDU মার্গ কার্যত রণক্ষেত্র হয়ে ওঠে। (Mukesh Khanna) SIR-এ নির্বাচন কমিশনের ‘অনৈতিক’ ভূমিকা এবং মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে পথে নামে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। সংগঠনের ডাকে হাজার হাজার ছাত্র-যুব জমায়েত হন। (Mukesh Khanna) পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে দিল্লি পুলিশ বিশাল বাহিনী মোতায়েন করে এবং নিরাপত্তার কারণে ৫৭টি মেট্রো স্টেশন সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়।
সিজেপির তিন পরিচিত (Mukesh Khanna) মুখ অভিজিৎ দীপকে, সৌরভ দাস এবং আশুতোষ রাঙ্কা সহ বহু আন্দোলনকারীকে সেদিন আটক করা হয়। যদিও আইনি প্রক্রিয়া শেষে ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই তাঁদের মুক্তি দেওয়া হয়। কিন্তু এই আন্দোলনের পরেই সোশাল মিডিয়ায় ঝড় ওঠে। এই প্রেক্ষাপটেই নিজের সোশাল মিডিয়া হ্যান্ডেলে একটি ভিডিও বার্তা শেয়ার করেন প্রবীণ অভিনেতা মুকেশ খান্না (Mukesh Khanna)। ভিডিওতে তাঁকে স্পষ্ট ভাষায় বলতে শোনা যায়, “আজ দিল্লিতে যা কিছু ঘটেছে আমার সবটাই ভালো লেগেছে। আমি শুধু এটুকুই বলতে চাই। প্রথম থেকেই বলে আসছি, আমাদের বাড়িতে ককরোচ ঢুকলে তাকে নির্মূল করা উচিত। আজ দিল্লি পুলিশ ও সরকার সেই ককরোচদের বিরুদ্ধে ঠিক সেই পদক্ষেপই করেছে, ঠিক যেটা আমি চেয়েছিলাম। (Mukesh Khanna) ওদের ঔদ্ধত্য, সাহস দেখুন।”
তাঁর বক্তব্যের মূল নিশানায় ছিলেন (Mukesh Khanna) সিজেপির ওই তিন নেতা। মুকেশের অভিযোগ, “এই তিনজন ইনস্টাগ্রাম ও ফেসবুককে খুব ভালোভাবে ব্যবহার করছে। ওঁদের ভিডিওয় ভরে গিয়েছে সোশাল মিডিয়া। মোদির বিরুদ্ধে হাসিঠাট্টা করে ভিডিও পোস্ট করছে এবং বলছে, মোদি ভয় পেয়ে গিয়েছেন।”আন্দোলনকারীদের ‘দ্বিচারিতা’ নিয়েও তোপ দাগেন তিনি। (Mukesh Khanna) তাঁর কথায়, “এত পুলিশ মোতায়েন করেছেন, ৫৭টি মেট্রো স্টেশন বন্ধ করে দিয়েছেন। ৫৬ ইঞ্চি ছাতির মানুষটি নাকি আমাদের ভয় পাচ্ছেন! ওঁরা আমাদের নিয়ে হাসাহাসি করছে, ব্যঙ্গ করছে এবং বলছে, পরের দিন আসবে। অথচ পরের দিনই বিমানে ওঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। তারপর আবার বলছে গ্রেপ্তার হতেই নাকি এসেছে। শেষ পর্যন্ত ওরা যন্তর মন্তরেও পৌঁছতে পারেনি। (Mukesh Khanna) বাড়াবাড়িরও একটা সীমা আছে।”
শুধু সিজেপিই নয়, জার্মানিতে বসবাসকারী ভারত-বিরোধী ইউটিউবার ধ্রুব রাঠিকেও একহাত নেন মুকেশ। তাঁর দাবি, এই ধরনের ইউটিউবাররাই বিদেশে বসে দেশের যুব সমাজকে উসকে দিচ্ছে। অন্যদিকে, একই দিনে অভিনেত্রী-সাংসদ কঙ্গনা রানাউতও সিজেপিকে ‘নর্দমার আবর্জনা’ এবং ‘দেশবিরোধী শক্তি’ বলে কটাক্ষ করেন। ফলে দুই বলিউড তারকার মন্তব্যে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে। দিল্লি পুলিশের পদক্ষেপকে সমর্থন জানিয়ে মুকেশ খান্নার এই ‘নির্মূল’ মন্তব্য ঘিরে সোশাল মিডিয়ায় তীব্র প্রতিক্রিয়া শুরু হয়েছে। একদিকে তাঁর সমর্থকরা বাহবা দিচ্ছেন, অন্যদিকে বিরোধীরা এটিকে ঘৃণা-ভাষণ বলে সরব হয়েছেন।
