আজকের দিনেভারত

দিল্লিতে গাড়িবোমা বিস্ফোরণ মামলায় অতিরিক্ত চার্জশিট জমা পড়ল আদালতে

ভালোবাসা ছড়িয়ে দাও

কিউ ইন্ডিয়া বাংলা,নয়াদিল্লি: – দিল্লিতে লালকেল্লার কাছে গাড়িবোমা বিস্ফোরণ মামলায় অতিরিক্ত চার্জশিট জমা পড়ল আদালত। সেখানে অভিযুক্ত হিসেবে তিনজনের নামের উল্লেখ করা হয়েছে। তিনজনই জম্মু কাশ্মীরের বাসিন্দা। তালিকায় রয়েছেন মুজফফর আহমেদ ওরফে ফারাজ ওরফে জাফর এক শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ। তিনি ফরিদাবাদের আল-ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তবে বিস্ফোরণের পর থেকে তার আর কোনও সন্ধান পাওয়া যায়নি। দিল্লি বিস্ফোরণে তদন্তে আগে উঠে এসেছিল হোয়াইট কলার মডিউল। ওই জঙ্গি মডিউলের বেশ কয়েক জনে ইতিমধ্যে গ্রেফতারও করেছে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (এনআইএ)। ধৃতদের মধ্যে বেশিরভাগই জন্মু কাশ্মীরের বাসিন্দা। তাঁরা আল্‌-ফালাহ্‌ বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গেও কোনও না কোনও ভাবে জড়িত ছিলেন। এ বার সেই তদন্তের সূত্র ধরে আরও তিন জনের নাম পেলেন তদন্তকারীরা।
নতুন চার্জশিট জমা পড়ার পরে দিল্লি বিস্ফোরণে অভিযুক্তের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়ে হল ১৩। তালিকায় রয়েছেন মূল অভিযুক্ত চিকিৎসক উমর উন নবিও। বিস্ফোরকবোঝাই গাড়িটি তিনিই চালকের আসনে ছিলেন, পরে গাড়ি বোমা বিস্ফোরণে মারা যান। এনআইএ জানাচ্ছে, বিস্ফোরণের ষড়যন্ত্রে মুজফফরের সঙ্গে জড়িত ছিলেন উমরও। তাঁদের সঙ্গে ছিলেন অপর অভিযুক্ত আদিল, মুজাম্মিল এবং মুফতিও। তদন্তে উঠে এসেছে, ২০২২ সালের জুন মাসে শ্রীনগরে একটি গোপন বৈঠক হয়েছিল। সেখানে উপস্থিত ছিলেন মুজফফর। ওই বৈঠকেই ‘এজিইউএইচ ইন্টেরিম’ গঠিত হয়েছিল এবং ওই জঙ্গিগোষ্ঠীর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ছিলেন আদিলের দাদা। জানা গেছে, উমর এবং মুজাম্মিলের সঙ্গে মিলে বিস্ফোরক তৈরির কাজ করছিলেন মুজ়ফ্‌ফর। তাঁরা ট্রাইঅ্যাসিটোন ট্রাইপারঅক্সাইড (বাড়িতে বানানো এক ধরনের বিস্ফোরক) তৈরি করছিলেন বলে তদন্তে উঠে এসেছে। বিস্ফোরণের পর থেকে তিনি গা ঢাকা দিয়েছেন। তার বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য পরোয়ানা জারি আছে। তার বিরুদ্ধে খোঁজ চালাচ্ছে তদন্তকারীরা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *