Relief material-Sundarban : ত্রাণের পাহাড় উপপ্রধানের গোডাউনে! সুন্দরবনের আমতলীতে চাঞ্চল্য, তদন্তে পুলিশ !
কিউ ইন্ডিয়া বাংলা, নিজস্ব প্রতিনিধি:- সুন্দরবনের প্রত্যন্ত এলাকাগুলিতে প্রাকৃতিক দুর্যোগ,ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস কিংবা বন্যার মতো পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়াতে সরকার বিভিন্ন সময়ে ত্রাণসামগ্রী পঞ্চায়েত গুলিতে পাঠিয়ে থাকে। স্থানীয়দের অভিযোগ, সেই ত্রাণ স্থানীয়দের মধ্যে বিলি না করে নিজের গোডাউনেই রেখে দিয়েছেন পঞ্চায়েতের উপপ্রধান। এবার এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে উঠল গোসাবা ব্লকের আমতলি গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, তৃণমূল কংগ্রেস পরিচালিত গ্রামপঞ্চায়েতের উপপ্রধান রঞ্জন মন্ডল। তার একটি গোডাউনে বিপুল পরিমাণ দুর্যোগ পরিস্থিতিতে গরিব মানুষের জন্য আসা সরকারি ত্রাণ বিলি না করে তালা বন্ধ অবস্থায় মজুত করে রেখেছে বলে খবর ছড়িয়ে পড়ে। সোমবার খবর ছড়িয়ে পড়তেই এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। কয়েকশো গ্রামবাসী এবং বিরোধী রাজনৈতিক দলের কর্মী-সমর্থকরা ঘটনাস্থলে জড়ো হন।
সুন্দরবন কোস্টাল থানার পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে সোমবার আমতলী অঞ্চলের বিজেপি নেতৃত্ব ও গ্রামবাসীরা গোডাউন থেকে বিপুল পরিমাণ ডিএম কিট বা ত্রাণসামগ্রী উদ্ধার করে বলে দাবি করা হয়। বিরোধীদের অভিযোগ, এই সামগ্রী সাধারণ মানুষের মধ্যে বণ্টন না করে আত্মসাতের উদ্দেশ্যে জমিয়ে রাখে গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান রঞ্জন মন্ডল। বিষয়টি সামনে আসতেই এলাকায় রাজনৈতিক সমালোচনা শুরু হয়েছে।
তবে সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন গ্রামপঞ্চায়েত উপপ্রধান। তাঁর দাবি, নির্ধারিত প্রাপকদের মধ্যে ত্রাণসামগ্রী বণ্টন করা হয়েছিল এবং কিছু অতিরিক্ত কিট ভবিষ্যতের জরুরি পরিস্থিতির জন্য রাখা ছিল। যেটা সব গ্রাম পঞ্চায়েতেই তার নিজস্ব গোডাউনে মজুত থাকে। তার দাবি, তাঁর বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।
এদিকে প্রশাসনের বক্তব্য, অতিরিক্ত ত্রাণসামগ্রী সংরক্ষিত থাকার বিষয়টি অস্বাভাবিক। তবে ওই গোডাউনটি গ্রাম পঞ্চায়েতের নাকি উপপ্রধানের ব্যক্তিগত তা নিয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যেই সুন্দরবন কোস্টাল থানার পুলিশ গোডাউনটি সিল করে দিয়েছেন বলে সূত্রের খবর।
