Ranjan Bhattacharya : ৪৮ ঘণ্টার সময়সীমা শেষ, এবার বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্যকে থানায় তলব
কিউ ইন্ডিয়া বাংলা, কলকাতা:- মুখ্যমন্ত্রীর দেওয়া ৪৮ ঘণ্টার ডেডলাইন শেষ হওয়ার পরেও নিজের ফেসবুক (Ranjan Bhattacharya) পোস্ট সংশোধন না করায় এবার আইনি জটে সিপিএম নেতা তথা আইনজীবী বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য। তাঁকে তলব করল পুলিশ। গড়ফা ও কসবা থানায় ডেকে পাঠানো হয়েছে প্রবীণ বাম নেতাকে। আগামী ১৩ অক্টোবর গড়ফা এবং ১৪ অক্টোবর কসবা (Ranjan Bhattacharya) থানায় হাজিরা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে তাঁকে।
পুলিশ সূত্রে জানা যাচ্ছে, বিকাশবাবুর ফেসবুক পোস্টের কারণেই (Ranjan Bhattacharya) দুই থানায় তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার রাতে আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যের বিরুদ্ধে পৃথকভাবে লিখিত অভিযোগ দায়ের হয় গড়ফা ও তপসিয়া থানায়। গড়ফা থানায় অভিযোগ করেন প্রীতম দত্ত। অন্যদিকে, তপসিয়া থানায় অভিযোগ দায়ের করেন বিজেপি কর্মী সুরজ সিং। (Ranjan Bhattacharya) রবিবার বোলপুর থানাতেও তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন বিশ্ব হিন্দু পরিষদের সদস্য সৌরীশ মুখোপাধ্যায়।
ঘটনার সূত্রপাত গত বৃহস্পতিবার ভোরে। (Ranjan Bhattacharya) ওইদিন ভোরের দিকে বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যের যাদবপুরের বাড়িতে হামলা চালায় জনা কয়েক দুষ্কৃতী। মুখে কাপড় বাঁধা অবস্থায় কাচের বোতল, পাথর ছুড়ে বাড়ির জানলা ভাঙা হয় বলে অভিযোগ। এই হামলার পর ফেসবুকে পোস্ট করে বিকাশবাবু দাবি করেন, এই কাজ ‘হিন্দুত্ববাদী গুন্ডাদের’। তিনি সাফ জানিয়ে দেন, নিজের বাড়িতে (Ranjan Bhattacharya) হামলার পিছনে ‘হিন্দুত্ববাদীরাই’ জড়িত তা প্রমাণিত, তাই শব্দটি তিনি প্রত্যাহার করবেন না।
এদিকে ঘটনায় অভিযুক্ত সন্দেহে ইতিমধ্যে ২ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ (Ranjan Bhattacharya) । পুলিশের দাবি, ধৃত দুজনই তৃণমূলের দুষ্কৃতী। এই তথ্য প্রকাশ্যে আসার পর বিকাশবাবুর ‘হিন্দুত্ববাদী’ শব্দ নিয়ে আপত্তি তোলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। একটি জনসভা থেকে তিনি কার্যত হুঁশিয়ারির সুরে জানান, ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ওই শব্দটি ফেসবুক পোস্ট থেকে প্রত্যাহার করতে হবে। রবিবার দুপুরে সেই সময়সীমা পার হয়ে গিয়েছে (Ranjan Bhattacharya) । সময়সীমা পার হওয়ার পর রবিবার রাতেই আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হল তাঁর বিরুদ্ধে। গড়ফা ও কসবা দুই থানাতেই ডেকে পাঠানো হয়েছে বাম নেতা-আইনজীবীকে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজ্য রাজনীতিতে (Ranjan Bhattacharya) নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে।
